Sermons

[8-12] < রোমীয় ৮:৩১-৩৪ > কে আমাদের বিপক্ষে দাঁড়াতে সাহস করবে?


< রোমীয় ৮:৩১-৩৪ >

 “এই সকল ধরিয়া আমরা কি বলিব ? ঈশ্বর যখন আমাদের সপক্ষ, তখন আমাদের বিপক্ষ কে? যিনি নিজ পুত্রের প্রতি মমতা করিলেন না, কিন্তু আমাদের সকলের নিমিত্ত তাঁহাকে সমর্পণ করিলেন, তিনি কি তাঁহার সহিত সমস্তই আমাদিগকে অনুগ্রহ পূর্বক দান করিবেন না? ঈশ্বরের মনোনীতদের বিপক্ষে কে অভিযোগ করিবে? ঈশ্বর তো তাহাদিগকে ধার্মিক করেন; কে দোষী করিবে? খ্রীষ্ট যীশু ত মরিলেন, বরং উত্থাপিতও হইলেন; আর তিনিই ঈশ্বরের দক্ষিণে আছেন, আবার আমাদের পক্ষে অনুরোধ করিতেছেন।”


পদের মধ্যে পৌল জল এবং আত্মার সুসমাচারের সারাংশ করণ এবং উপসংহারে পৌছানোর দ্বারা বিশ্বাসীদের খ্রীষ্টে অবিচ্ছেদ প্রেমের পরীক্ষা করেছেন। এই অনুচ্ছেদটি পরিত্রাণের মহা আনন্দ প্রকাশ করে পরম সত্যে পৌছায়। 

 রোমীয় ৮:৩১পদে পৌল বলেন, “এই সকল ধরিয়া আমরা কি বলিব? ঈশ্বর যখন আমাদের সপক্ষ তখন আমাদের বিপক্ষ কে?” পৌলের ন্যায় আমরাও অভিজ্ঞতা লাভ করেছি যে, জল এবং আত্মার সুসমাচার ক্রমশ দিপ্তী বিকিরণ করছে এবং দুবর্লতা মোচনের জন্য এবং আর বেশী মহাপরিত্রাণের সুসমাচারে পরিনত হচ্ছে। জল এবং আত্মার সুসমাচার যত বেশী আমরা পরিচর্য্যা করব, ততবেশী আমরা আনন্দে এবং দৃঢ় প্রত্যয়ে পূর্ণ হব।

পৌল যে সুসমাচারে বিশ্বাস করতেন, তাকে তিনি “আমার সুসমাচার” বলে অভিহিত করেছেন (২য় তীমথিয় ২:৮)। পৌল যে সুসমাচারের সাক্ষ বহন করেছিলেন, তা যীশুর বাপ্তিস্ম ও রক্তে বিশ্বাস ছাড়া আর কিছুই নয়।

ধর্মানুরাগী লোকেরা, ক্রুশীয় যে সুসমাচারে বিশ্বাস করে, “আমার সুসমাচার” বলতে পৌল সেই সুসমাচার বুঝাননি; কিন্তু জল ও আত্মার যে সুসমাচারে বিশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের পাপ একবারে চিরতরে ধৌত হয়ে, পৌল সেই আর্শীবাদ প্রচার করেছিলেন।

 এই সুসমাচার পৌলকে একজন সাহসী ব্যক্তিতে পরিণত করেছিল। যেহেতু, তিনি পাপের ক্ষমা পেয়েছিলেন, তাই তাঁর হৃদয়ে ঈশ্বরের ধার্মিকতায় এবং পবিত্র আত্মাতে ও পূর্ণ হয়েছিল। মানুষের সমস্ত পাপ একবারে তৎক্ষনাত তুলে নেওয়ার ক্ষমতা জল ও আত্মার সুসমাচারে রয়েছে। 

 তাহলে, পৌল যা বিশ্বাস করতেন এবং প্রচার করতেন, সেই জল ও আত্মার সুসমাচারের বিপক্ষতা করার সাহস কার আছে? কারো নেই রোমীয় ৮:৩১পদ আমাদের বলে, “এই সকল ধরিয়া আমরা কি বলিব? ঈশ্বর যখন আমাদের সপক্ষ, তখন আমাদের বিপক্ষে কে?” যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, পৃথিবীতে এমন কে আছে যে তাঁর বিপক্ষে দাঁড়াতে পারে? ঈশ্বর যখন জল ও আত্মার সুসমাচার দ্বারা জগতের মানুষকে সমস্ত পাপ থেকে উদ্ধার করেছেন, তখন তাঁর সেই ক্ষমতা কে ব্যর্থ করতে পারে? যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, শুধু যীশু নামে বিশ্বাস করে, অথবা শয়তান নিজেও তাদের বিপক্ষে দাঁড়াতে পারেনা বা জয়ী হতে পারেনা।



তিনি আমাদের তাৎক্ষনিকভাবে ধার্মিক করেছেন


রোমীয় ৮:২৯-৩০ পদে বলে, “কারণ তিনি যাহাদিগকে পূর্ব্বে জানিলেন, তাহাদিগকে আপন পুত্রের প্রতিমূর্ত্তর অনুরূপ হইবার জন্য পূর্ব্বে নিরূপণও করিলেন; যেন ইনি অনেক ভ্রাতার মধ্যে প্রথমজাত হন। আর তিনি যাহাদিগকে পূর্ব্বে নিরূপণ করিলেন, তাহাদিগকে আহবানও করিলেন; আর যাহা দিগকে আহবান করিলেন, তাহাদিগকে ধার্ম্মিক গণিতও করিলেন; আর যাহাদিগকে ধার্ম্মিক গণিত করিলেন, তাহাদিগকে প্রতাপান্বিতও করিলেন।”

এখানে বলা হচ্ছে যে, পিতা ঈশ্বর খ্রীষ্টে সকলকে উদ্ধার করার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং জল আত্মার সুসমাচারে তাদেরকে আহবান করেছিলেন, যেন সমস্ত পাপ ধৌত করে তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর সন্তান করতে পারেন। আমাদের প্রভু যখন জল ও আত্মার সুসমাচার দ্বারা সমস্ত পাপীদের তাদের পাপ থেকে মুক্ত করেছেন, তখন তাঁর এই কাজের বিরোধীতা কে করতে পারে?

যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসের দ্বারা ধার্মিক হয়েছে কে তাদের বিপক্ষে যেতে পারে, বা তাদের জয় করতে পারে? এটা করা মুর্খতা। এই সত্য আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে যে, জল ও আত্মার সুসমাচারের বিশ্বাসের মাধ্যমে যারা ধার্মিকগণিত হয়েছে, তাদের বিরোধীতা যারা করে তারা আসলে ঈশ্বরের বিরোধীতা করে। যে কোন মূল্যে আপনার সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হতে হলে, আপনাকে অবশ্যই জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করতে হবে। আপনি যদি মনে মনে সত্য সুসমাচারের বিরোধীতাকরে থাকেন, তাহলে আপনি পাপ থেকে মুক্ত হতে পারবেন না, বরং নরক যোগ্য হয়ে পড়বেন।



ঈশ্বরের ধার্মিকতা যাদের রয়েছে, কেউই তাদের

বিরোধীতা করতে পারেনা


“এই সকল ধরিয়া আমরা কি বলিব? ঈশ্বর যখন আমাদের সপক্ষ, তখন আমাদের বিপক্ষ কে?” (রোমীয় ৮:৩১) আমাদের জন্য ঈশ্বরের এই সত্য দেওয়া হয়েছে যে, জল ও আত্মার সুসমাচারের মাধ্যমে তিনি আমাদের সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন এবং আমাদের উদ্ধার করেছেন। তাহলে, যারা জল ও আত্মার এই সত্যের সুসমাচারে বিশ্বাস করে পাপ থেকে মুক্ত হয়েছে, কে তাদের বিরোধীতা করতে পারে? বা এই বিশ্বাসকে ভ্রান্ত বলতে পারে? সেটা হবে একটা ব্যর্থ প্রয়াস। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, ঈশ্বর তাদের বিশ্বাসকে অনুমোদন করেছেন।

কে এটা চ্যালেন্স করতে পারে? যীশু তাঁর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় রক্তের মাধ্যমে জগতের সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন। তাহলে, কে বলতে পারে যে, এই সত্যে বিশ্বাসকারীরা ভ্রান্ত? কেউ না।

রোমীয় ৬:৩ পদে পৌল বলেছেন, “অথবা তোমরা কি জান না যে, আমরা যত লোক খ্রীষ্ট যীশুর উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছি, সকলে তাঁহার মৃত্যুর উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছি?” পৌল বলতে চাচ্ছেন যে, তিনি যীশুর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করেছিলেন, তার এই বিশ্বাসের দ্বারাই যীশুর উপরে সমস্ত পাপ অর্পিত হয়েছিল এবংধৌত হয়েছিল, এবং দ্বারাই তিনি যীশুর সাথে মৃত্যু বরণ করেছিলেন এবং পুনরুত্থিত হয়েছিলেন।

গালাতীয় ৩:২৭ পদেও আমাদের বলে, “কারণ তোমরা যত লোক খ্রীষ্টের উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছি, সকলে খ্রীষ্টকে পরিধান করিয়াছ।” এই অংশে বলা হয়েছে যে, যীশু তাঁর বাপ্তিস্মের মাধ্যমে জগতের সমস্ত পাপ নিজের উপরে নিয়েছিলেন, সেই পাপির কারণে ক্রুশারোপিত হয়েছিলে এবং পুনরুত্থিত হয়েছিলেন, যেন যত লোক এই সত্যে বিশ্বাস করে, তারা সকলে তাঁর সন্তান হওয়ার আশীর্বাদ পায়। এটাই পৌলের বিশ্বাসের ভিত্তি ছিল যে, তিনি যীশুতে বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন, তাঁর সাথে ক্রুশে মরেছিলেন এবং তাঁর সাথে পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। সুতরাং আপনি যখনই যীশুর বাপ্তিস্মে বিশ্বাস করেছেন, তখনই আপনার পাপ ধৌত হয়ে যাচ্ছে, এবং তখনই খ্রীষ্টের সাথে পুনরুত্থিত হয়ে আপনি ঈশ্বরের সন্তান হচ্ছেন।

“কারণ তোমরা যত লোক খ্রীষ্টের উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছ, সকলে খ্রীষ্টকে পরিধাণ করিয়াছ।” অন্য কথায়, যারা বিশ্বাস করে যে, যীশু এই জগতে এসে যোহন বাপ্তাইজকের দ্বারা বাপ্তাইজিত হয়ে জগতের সমস্ত পাপ নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন, তারা যীশুতে বাপ্তাইজিত হয়েছে। এছাড়াও তারা বিশ্বাস করে যে, যীশুর সাথে তারা ক্রুশে মৃত্যু বরণ করেছে এবং বিশ্বাসে তাঁর সাথে পুনরুত্থিত হয়েছে।

সুতরাং যে কেউ যীশুর বাপ্তিস্ম এবং রক্তে বিশ্বাস করে সেই তার পাপ থেকে মুক্ত হয়। যীশু যেমন নিশ্চিতভাবে ঈশ্বরের পুত্র, যারা যীশুর বাপ্তিস্ম ও রক্তে বিশ্বাস করে পাপ থেকে মুক্ত হয়েছে, তারাও তেমনি তাঁর সন্তান হয়েছে। “কেননা তোমরা যত লোক খ্রীষ্টের উদ্দেশে বাপ্তাইজিত হইয়াছ, সকলে খ্রীষ্টকে পরিধান করিয়াছ।” জল আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করার মাধ্যমে আমরা খ্রীষ্টের ধার্মিকতা পারহিত হই এবং এই ভাবে ঈশ্বরের সন্তান হই।

জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসের মাধ্যমে পৌল, মহা আশীর্বাদ পেয়েছিলেন, বিধায় তিনি যীশুর বাপ্তিস্মের কথা প্রচার করেছিলেন। কিন্তু এখনও অনেক কে জল ও আত্মার সুসমাচারকে গ্রহন করতে হবে। অনেকে মনে করে যে, পৌল যে সুসমাচার প্রচার করেছিলন, তা ছিল কেবল যীশুর ক্রুশীয় রক্তের সুসমাচার, কিন্তু আসলে তিনি যীশুর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় রক্ত বিষয়ক জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করেছিলেন এবং তা প্রচার করেছিলেন।

তাহলে, বর্তমান কালের যীশুর অনুসারীগন কেন জল ও আত্মার সুসমাচারের সম্পর্কে সচেতন নয়? কারণ প্রথমিক মন্ডলীর যুগে জল ও আত্মার এই সুসমাচার প্রচারিত হয়েছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তা পরিবর্তিত হয়ে গেছে। প্রথমিক মন্ডলীর যুগের সমস্ত বিশ্বসীরা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করতেন এবং তা প্রচার করতেন।

কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সুসমাচার পরিবর্তিত হয়ে শুধুমাত্র খ্রীষ্টের রক্তের প্রচার করা হয়, কিন্তু তাঁর বাপ্তিস্ম বিষয়ক সুসমাচার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে থাকে। এই কারণেই এখনও অনেকে শুধু মাত্র ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করে, যার দরুণ প্রাথমিক মন্ডলীর যুগে সুসমাচার তিরোহিত হয়ে গেছে।

 এই সব মানুষের মধ্যে এখনও পাপ রয়েছে। জল ও আত্মার যে সুসমাচারে ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রকাশিত হয়েছে, সেই সুসমাচার সম্পর্কে তারা অজ্ঞ; তাই তারা এখনও পাপী রয়ে গেছে, যীশুতে বিশ্বাস করে বললেও তারা এখনও ঈশ্বরের ধার্মিকতার বিরোধী।

 একজন আত্মিকভাবে অন্ধব্যক্তি কি দেখতে পারে? একজন অন্ধব্যক্তি হাতের স্পর্শের মাধ্যমে একটি হাতিকে চেনার চেষ্টা করতে পারে। হাতির পা স্পর্শ করে তার ধারণা হবে হাতির একটি স্তম্ভের মত বা খুটির মত, অন্য অন্ধ হাতির শুড স্পর্শ করে মনে করবে যে হাতি একটা লম্বা কোন কিছু, কারণ এদর কেউই পূর্বে কোন হাতি দেখেনি ঠিক একই ভাবে অন্ধ ব্যক্তি জল ও আত্মার সুসমাচারের ব্যাপকতা বুঝতে পারে না।

 সুতরাং যারা জল ও আত্মার সুসমাচারের আর্শীবাদ জানে না, তারা এটা প্রচার করতে পারে না। পূর্বে দেখা কোন জিনিস কোন জিনিসের বর্ণনা শুনলে যে কেউ তা বুঝতে পারে, কিন্তু অন্ধ ব্যক্তি কখনই তা বুঝতে পারে না।

মানুষ জন্মগত ভাবে পাপী যেহেত্ব, জন্ম মুহূর্ত থেকেই আমরা আত্মিকভাবে পাপী ছিলাম, তাই আমরা জল ও আত্মার সুসমাচারের সত্য বুঝি না। যারা শুধুমাত্র ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করে, তারা নিজেদের মতে খ্রীষ্ট ধর্মের একটি ভিন্নধারা প্রবর্তন করেছে। তারা দাবি করে যে, তারা যীশুতে বিশ্বাস করে এবং শুধু মাএ যীশুর ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করে, তাহলে তারা কিভাবে তাদের পাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে? সময়ের সাথে সাথে পাপের বোঝা শুধু বাড়তেই থাকে।

 পরিত্রাণের জন্য যারা শুধু যীশুর রক্তে বিশ্বাস করে, তারা এখনও আত্মিকভাবে সচেতন নয়। কিন্তু যোহন ৩:৫ পদে যীশু আমাদের পরিস্কার বলেছেনাং ঈশ্বরের সন্তান হওয়ার আশীর্বাদ লাভের জন্য এবং স্বর্গরাজ্যে, “যীশু উত্তর করিলেন, সত্য, সত্য, আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, যদি কেহ জল ও আত্মা হইতে না জন্মে, তবে সে ঈশ্বরের রাজ্যে প্রবেশ করিতে পারে না।” সুতর প্রবেশ করার জন্য আমাদের অবশ্যই জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করতে হবে। 

যেহেতু, পৌল নিজে জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করতেন, বিশ্বাসে তিনি বলেন, “ঈশ্বর যখন আমাদের সপক্ষ, তখন আমাদের বিপক্ষ কে?” (রোমীয় ৮:৩১)। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারের সম্বন্ধে জানে না, তারা কি ঈশ্বরের সন্তানগণের বিপক্ষতা করতে পারে? তারা ঈশ্বরের সন্তানগণের বিপক্ষে গেলেও, কখনও তারা জয়ী হতে পারে না। যারা শুধু মাত্র ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করে, তারা কখনও জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসকারীদের উপরে বিজয়ী হতে পারে না। 

 যারা ঈশ্বরের ধার্মিকতার বিরোধীতা করে, তারা নিজেদেরকে ঈশ্বরে শত্রু করে তোলে এবং কখনও ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভ পারেনা। জল ও আত্মার সুসমাচারে প্রকাশিত ঈশ্বরের ধার্মিকতার বিশ্বাস ছাড়া কেউই পরিত্রাণ পেতে পারে না বা স্বর্গরাজ্যে যাবার বিশ্বাসী হতে পারে না। এইভাবে জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসীরা ভ্রান্ত সুসমাচারে বিশ্বাসকারীদের জয় করতে পারে এবং তাদেরকে সত্য সুসমাচারের প্রতি ফিরিয়ে আনতে পারে। ঈশ্বরের সন্তানগণ জগত এবং শয়তানের উপরে জয়ী হতে পারে।

 কেউ কেউ যীশুর বাপ্তিস্ম এবং রক্তের মহিমা পরিস্কার বুঝতে পারে না এবং তাদের এই ভুল বোঝা তাদেরকে ভ্রান্ত বিশ্বাসের দিকে ঠেলে দেয়। আপনি যদি ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করেন, কিন্তু যীশুর বাপ্তিস্মের সুসমাচারে বিশ্বাসের মাধ্যমে পাপ ক্ষমা লাভের চেষ্টা না করেন, তাহলে আপনার বিশ্বাস ভ্রান্ত।

যারা ঈশ্বরের সাক্ষাতে জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তারা ঈশ্বরের ধার্মিকতা অর্জন করবে, সত্যিকার বিশ্বাসে বিশ্বাসী হবে। ঈশ্বর আমাদের বলেন যে, যারা শুধু মাত্র তাঁর পুত্রের ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করে, তার ভুল করছে। যারা তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে না, তারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে না বা মূল্যায়ন করে না, কিন্তু যারা তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে, তারা খ্রীষ্টের ক্রুশীয় রক্ত এবং তাঁর বাপ্তিস্মে বিশ্বাসের মাধ্যমে পাপ থেকে মুক্ত হয়।

আমাদের একঘেয়েমী অবশ্যই দূর করা উচিত। যারা জল ও আত্মার সুসমাচার অগ্রাহ্য করে না, তারা তাদের ভুল বিশ্বাসকে প্রতিষ্টিত করতে চায়। যারা শুধুমাত্র তাঁর রক্তে বিশ্বাস করে, তাঁর ধার্মিকতার প্রতি তাদের অর্ধেক বিশ্বাস রয়েছে। জল ও আত্মার সুসমাচারে যারা বিশ্বাস করে, তাদের বিশ্বাসটাই পরিপূর্ণ বিশ্বাস এবং তারাই কেবল ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে এবং তাঁর ধার্মিকতা লাভ করতে পারে। (মথি ৩:১৫, ১১:১১)।

শুধুমাত্র রক্তে বিশ্বাসের উপরে যেমন বই লেখা হচ্ছে, তার দ্বারা শুধু কাগজই নষ্ট হচ্ছে। একদা ধর্মতত্তবিদদের দ্বারা আলোচিত মতবাদ এখন খ্রীষ্টিয়ানরা অগ্রাহ্য করছে, কিন্তু জল ও আত্মার সুসমাচার অনেক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। কারণ প্রৈরিতিক যুগে এই সত্য স্থাপন হয়েছে, যা কোনদিন পরিবর্তিত হবে না। যারা আত্মিকভাবে রক্তে বিশ্বাস করে, তারা মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে যাবে, কিন্তু ঈশ্বরের বাক্য চিরস্থায়ী। এর কারণ কি? এর কারণ হল রক্ত, যাহার মধ্যে ঈশ্বরের অর্ধেক ধার্মিকতা নিহিত এবং পাপীদে উপরে এর নিজস্ব কোন প্রভাব নেই। 

খোলাখুলিভাবে বলছি, খ্রিষ্টয়ান কি অখ্রীষ্টিয়ান হোক, অধিকাংশ মানুষ আজ প্রচুর পাপ করে। এই সমস্ত পাপ কিভাবে শুধু মাত্র রক্তে বিশ্বাসের মাধ্যমে ক্ষমা হবে? মতবাদে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, মানুষ যখন পাপ করে, ক্রুশীয় রক্ত তখন তাদেকে ক্ষমার প্রার্থনা করতে শিখায়, কিন্তু কতক্ষণ তারা তাদের পাপ ক্ষমার জন্য প্রার্থনা করতে পারে? তারা যেটা বলে সেটা কিছুই নয় এবং তারা তাদের পাপের ক্ষমা লাভ করতে পারে না। 

 যীশু কি পৃথিবীতে এসে বাপ্তিস্ম ব্যতিত সাধারণভাবে মৃত্যু বরণ করেছিলেন? আপনারা জানেন এটা সত্য নয়। যীশু এই পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং বাপ্তিস্যের মাধ্যমে সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন ( মথিত ৩:১৫)। ক্রুশারোপিত হয়ে মৃত্যুবরণ করার পূর্বে তাকে বাপ্তাইজিত হতে হয়েছিল। এভাবেই যীশু সমস্ত ধার্মিকতার পূর্ণতা সাধন করেছিলেন। যদি আপনি যোহন কর্তৃক যীশুর বাপ্তিস্ম বিশ্বাস করেন, তাহলে আপনার পাপের ক্ষমা পেতে তাঁর দয়ার জন্য প্রতিদিন ক্রন্দন করার প্রয়োজন নেই। পরিবর্তে, ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করুন এবং পূর্ণ পরিত্রাণ লাভ করুন।

 যীশু পৃথিবীর সমস্ত পাপ তাঁর কাঁধে তুলে নিতে বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন এবং পৃথিবীর সমস্ত পাপের জন্য ক্রুশারোপিত হয়ে তৎক্ষনাৎ এবং চিরকালের জন্য বিচারিত হলেন। একমাত্র যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর রক্তই পাপ মোচন সাধন করতে পারে।



আমাদের কৃত পাপের চেয়ে যীশুর পরিত্রাণ কি মহৎ?


 আমরা যে পাপ করি এবং ভবিষ্যতে করব, তার চেয়ে যীশু প্রদত্ত পাপ মোচন অনেক মহৎ। মানুষ জাতির পাপের চেয়ে যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর রক্ত যদি মহৎ না হত, তাহলে পরিত্রাণকর্তা হিসাবে আমরা যীশুকে বিশ্বাস করতাম না এবং পাপ মোচন লাভ করতাম না। যাহোক, ঈশ্বরের মতত্ত যে এত তহৎ যে, তাঁর বাপ্তিস্মের মাধ্যমে তিনি তৎক্ষনাৎ এবং চিরদিনের জন্য পৃথিবীর সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন। 

 অধিকন্ত, স্বর্গের দুয়ার বিস্তৃত খোলা, কিন্তু জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস ব্যতিত কেউই সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, আপনি তাদের বিরোধীতা করতে পারেন, কিন্তু আপনি ঈশ্বরের ভয়ানক বিচার থেকে পালাতে পারবেন না। অতএব আপনি এটা ভাববেন না যে, যারা দ্বারা ঈশ্বরের ধার্মিকতার পূর্ণতা সাধিত হয়েছিল, সেই যীশুর বাপ্তিস্ম এবং রক্তের উপর বিশ্বাস করে আপনি বিজয়ী হয়েছেন। 

অনেকে আছে যারা জল ওআত্মার সুসমাচারের বিররোধী করে, তারা তারা প্রেরিত পৌলেরও বিরোধীতা করে। কিন্তু কেউ বলতে, পারে না যে, প্রেরিত পৌল যে জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করতেন সেটা ভাল। যীশু যে ঈশ্বরের পুত্র এবং ত্রাণকর্তা এটা তারা মানতে চায় না। 

রোমীয় ৮:৩২ পদে আমাদিগকে বলা হয়েছে, “যিনি নিজ পুত্রের প্রতি মমতা করিলেন না, কিন্তু আমাদের সকলের নিমিত্ত তাঁহাকে সমর্পণ করিলেন, তিনি কি তাঁহার সহিত সমস্তই আমাদিগকে অনুগ্রহ পূর্বক দান করিবেন না?” পিতা ঈশ্বর তাঁর একজাত পুত্রকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন এবং বাপ্তিস্মের মাধ্যমে তাঁকে সমস্ত পাপ বহন করতে হল, এবং আমাদেরকে পাপ থেকে মুক্ত করতে মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হতে হয়েছিল।

যীশু যেমন ঈশ্বরের সন্তান তেমনি, আমাদের সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত করতে এবং আমাদেরকে তাঁর সন্তান করতে ঈশ্বর তাঁর একজাত পুত্রকে আমাদের জন্য দিয়েছিলেন। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তাদেরকে তাঁর সন্তান করার উদ্দেশ্যে এবং ধার্মিক ও আর্শীবাদ করার উদ্দেশ্যে ঈশ্বর তাঁর একজাত পুত্রকে বাপ্তাইজিত হওয়ার জন্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন। জল ও আত্মার সুসমাচারে এবং স্বর্গীয় সমস্ত আর্শীবাদ পৃথিবীর সমস্ত মানুষকে দেওয়ার সঙ্কল্প ঈশ্বরের ছিল। একটা আর্শীবাদ হল জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে তাঁর সন্তান হওয়া।

“যিনি নিজ পুত্রের প্রতি মমতা করিলেন না, কিন্তু আমাদের সকলের নিমিত্ত তাঁহাকে সমর্পণ করিলেন, তিনি কি তাঁহার সহিত সমস্তই আমাদিগকে অনুগ্রহ পূর্বক দান করিবেন না? ” (রোমীয় ৮:৩২) “সমস্তই” বলতে ঈশ্বরের সমস্ত অনুগ্রহের কথা বুঝান হয়েছে। এই অনুগ্রহের দানগুলো কি? যারা যীশুকে গ্রহণ করেছে এবং তাঁর নামে বিশ্বাস করে তাদেরকে তিনি তাঁর সন্তান হওয়ার অধিকার দিয়েছেন। অর্থাৎ যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে তারা সন্তান হয়েছে। জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসীরা পাপ থেকে মুক্ত। তারা ধার্মিক এবং ঈশ্বরের সন্তান রূপে গ্রাহ্য হয়েছে।

এই সব সত্যে বিশ্বাসের মাধ্যমে যারা ঈশ্বরে সন্তান হয়, তারা সহস্রবর্ষের রাজ্য এবং স্বর্গরাজ্যের অধিকারী। স্বর্গীয় সমস্ত গেীরবের আশীর্বাদের ধার্মিকেরা আশীর্বাদ প্রাপ্ত। 

 “সমস্তই আমাদিগকে অনুগ্রহ পূর্বক দান করিবেন”কথাটিকে অনেক পবিত্র আত্মার দান হিসাবে ব্যাখ্যা করেন। তারা মনে করেন, একবার যদি আমরা যীশুকে বিশ্বাস করি, তবে পবিত্র আত্মাও আমাদের পৃথকভাবে আমাদিগকে দান করা হয়, তাই কি বুঝচ্ছে? এটা ঠিক নয় কারণ, যখনই আপনি জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করেছেন, আপনি পাপের ক্ষমা লাভ করেছন এবং একই সাথে পবিত্র আত্মারূপ দান ও গ্রহণ করেছেন। পাপে পূর্ণ হৃদয়ে পবিত্র আত্মা অবস্থান করে না। যে মুহূর্তে আমাদের পাপ ক্ষমা হয়, তখনই পবিত্র আত্মা আমাদের মাঝে নেমে আসে।

পবিত্র আত্মার দান লাভ করার পরেও বিশ্বাসীদের জন্য ঈশ্বরের আরো অনেক দান রয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত, স্বর্গীয় সমস্ত দান আমাদেরকে দেওয়া না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত দানের শেষ হয় না। বর্তমান পৃথিবীর লোকের ধারণা যে, আরোগ্যকারী শক্তি, পরোভাষা এবং ভাববাণীবলাই পবিত্র আত্মার দান। কিন্তু এই অংশে পিতা ঈশ্বরের স্বর্গীয় সমস্ত আর্শীবাদের কথাই বলা হয়েছে। সেই দানের মাধ্যমে, ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাসের মাধ্যমে যারা ঈশ্বরের সন্তান হয়েছে, তাদের প্রতি ঈশ্বরের সমস্ত দানের কথা প্রেরিত পৌল বলেছেন।

ঈশ্বর বলেছেন যে, যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তাদের তিনি স্বর্গীয় সমস্ত দানে আর্শীবাদ করেন। যারা জল ও আত্মার সুসমাচার বিশ্বাস করে, ঈশ্বর তাদেরকে নূতন জন্মের আর্শীবাদ দান করেছন। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, ঈশ্বর তাদের স্বর্গীয় সমস্ত আর্শীবাদ উপহার হিসাবে দান করেন। এই পৃথিবীতে বেঁচে থাক অবস্থায় খ্রীষ্টিয়ানেরা অনেক কষ্ট ভোগ করে কিন্তু যখন স্বর্গরাজ্য আসবে তখন তারা স্বর্গীয় সমস্ত মহিমায় মহিমান্বিত হবে।



বলবেন না যে, বিনা কারণেই আপনি মনোনীত হয়েছে 


রোমীয় ৮:৩৩-৩৪ পদে বলা হয়েছে, “ঈশ্বরের মনোনীতদের বিপক্ষে কে অভিযোগ করিবে? ঈশ্বর ত তাহাদিগকে ধার্ম্মীক করেন; কে দোষী করিবে? খ্রীষ্ট যীশু ত মরিলেন, বরং উত্থাপিতও হইলেন; আর তিনিই ঈশ্বরের দক্ষিণে আছেন, আবরে আমাদের পক্ষে অনুরোধ করিতেছেন।”

 “ঈশ্বরের মনোনীতদের বিপক্ষে কে অভিযোগ করিবে?” জল ও আত্মার সুসমচারে বিশ্বাস করার মাধ্যমে যারা পাপ থেকে মুক্ত হয়েছে, আপনি কি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারেন ? অবশ্যই না।

 ক্যালভিনের উদ্ধৃতি দিয়ে অনেক ধর্মতত্ত্ব বিদেরা বলেন যে, কাউকে কাউকে নিঃশর্তভাবে মনোনীত করা হয়েছে, আর বাকিদের কে পরিত্যাগ করা হয়েছে। যাহোক, ঈশ্বরের সাক্ষাতে কখনই আমরা“নিঃশর্তভাবে” কথাটি বলবেন না। তা যদি করা হয়, তাতে প্রমাণিত হয় যে, তারা মোটেই ঈশ্বরকে জানে না, তাদের মতোবাদ ভ্রান্ত। কাউকে কাউকে ঈশ্বর প্রেম করেন, আবার কাউকে ঘৃণা করেন-তাই যদি সত্যি হয়, তাহলে আমরা কিভাবে ঈশ্বরকে ধৰ্ম্মময় বলতে পারি? আমাদের ঈশ্বর সে রকম নয়। খ্রীষ্টে তিনি সব মানুষকে প্রেম করেন এবং তাদের জন্য চিন্তা করেন।

এখানে, ৩২ পদে বলা হয়েছে, “যিনি নিজ পুত্রের প্রতি মমতা করিলেন না, কিন্তু আমাদের সকলের নিমিত্ত তাঁহাকে সমর্পণ করিলেন, তিনি কি তাহার সহিত সমস্তই আমাদিগকে অনুগ্রহ- পূর্বক দান করিবেন না?” সমস্ত মানুষকে উদ্ধার করার উদ্দেশে ঈশ্বর তাঁর নিজ পুত্রকে দান করেছিলেন।তাঁর মাধ্যমেই জল ও রক্ত বাক্য বিশ্বাস করে, ঈশ্বর তাদের সমস্ত পাপ তুলে নিয়েছেন। ৩৩ পদে লেখা আছে, “ঈশ্বরের মনোনীতদের বিপক্ষে কে অভিযোগ করিবে?” এখানে “ঈশ্বরের মনোনীতদের” কথাটি দ্বারা বুঝাই না যে, ঈশ্বর নিঃশর্ত ভাবে কাউকে কাউকে মনোনীত করেছেন। যারা যীশু খ্রীষ্ট ছাড়া জীবন যাপন করতে পারে না, এবং যারা নিজেদের ধার্মিকতা পরিত্যাগ করে ঈশ্বরের ধার্মিকতায় সজ্জিত হয়েছে, তাদেরই ঈশ্বর মনোনীত করেছেন।

যারা এই সত্যে বিশ্বাস করে যে, যীশু এই জগতে এসেছিলেন, বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন এবং জগতের সমস্ত পাপ তুলে নেওয়ার জন্য ক্রুশে নিজেকে বির্সজন দিয়েছিলেন, তারাই ঈশ্বরের ধার্মিকতার মনোনীত। এরা তারা, যারা তাঁর ধার্মিকতায় সজ্জিত হওয়ার মাধ্যমে এবং ঈশ্বরে বিশ্বাস করার মাধ্যমে জগতের সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়েছে।

তাহলে, ধার্মিকদের বিপক্ষে কে অভিযোগ করতে পারে? কেউ না। কেউই বলতে পারে না যে, আমাদের বিশ্বাস প্রধানত জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করার মাধ্যমে যারা পাপ থেকে মুক্ত হয়ে মনোনীত হয়েছে এবং ঈশ্বরের সন্তান হয়েছে, কেউই তাদের বিচার করতে পারে না। যারা শুধু ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাস করে তারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসকারীদের ভ্রান্ত বলতে পারে না, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও করতে পারে না।

 জল ও আত্মার সুসমাচারের বিশ্বাসের মাধ্যমে যারা নিজেদেরকে ঈশ্বরের ধার্মিকতায় সজ্জিত করেছে, অনেকে তাদের প্রতি ভুল বিচার করে। কিন্তু তা কি ঠিক? না। যে বিশ্বাস ঈশ্বরের দৃষ্টিতে মনোনীতদের ধার্মিক করে, কেউই সেটাকে ভ্রান্ত বলতে পারেনা। 

যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, কে তাদের কে পাপী বলতে পারে বা তাদের সম্বন্ধে ভুল বিচার করতে পারে? জল ও আত্মার ঈশ্বরের যে ধার্মিকতা প্রকাশিত হয়েছে, অনেক দিন যাবত আমরা তা পৃথিবীব্যাপী প্রচার করে আসছি। 

কিন্তু কেউই এ জগত জল ও আত্মার সুসমাচারের বিপক্ষে কোন অভিযোগ আনে নাই। খুব অল্প লোকই আমাদের অনুরোধ করেছেন যেন, শুধুমাত্র ক্রুশীয় রক্তের বিশ্বাস কে অনুমোদন করা হয়। তারা কিন্তু এ কথা বলেনি যে, জল ও আত্মার সুসমাচার বিশ্বাস করা ভুল। 

ঈশ্বরের ধার্মিকতা নিহিত জল ও আত্মার সুসমাচারই হল, সত্য সুসমাচার। এটাই সত্য সুসমাচার, অন্য সুসমাচার অসম্পূর্ণ। প্রেরিত পৌল, যিনি জল ও আত্মার সুসমাচার প্রচার করেছিলেন, এই সুসমাচারকে সত্য সুসমাচার হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘‘তাহা আর কোন সুসমাচর নয়; কেবল এমন কতগুলি লোক আছে, যাহারা তোমাদিগকে অস্থির করে, এবং খ্রীষ্টের সুসমাচার বিকৃত করতে চায়। কিন্তু আমরা তোমাদের নিকটে যে সুসমাচার করিয়াছি, তাহা ছাড়া অন্য সুসমাচার যদি কেহ প্রচার করে আমরাই করি, কিম্বা স্বর্গ হইতে আগত কোন দূতই করুক-তবে সে শাপগ্রস্ত হইক। আমরা পূর্ব্বে যেরূপ বলিয়াছি, তদ্রুপ আমি এখন আবার বলিতেছি, তোমরা যাহা গ্রহণ করিয়াছ, তাহা ছাড়া আর কোন সুসমাচার যদি কেহ তোমাদের নিকটে প্রচার করে, তবে সে শাপগ্রস্থ হউক।”

কেউই বলতে পারে না যে, বাইবেলের ভিত্তিতে জল ও আত্মার সুসমাচার ভ্রান্ত। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে না, তারা এর বিপক্ষে। আপনি যদি মনে করেন যে, জল ও আত্মার সুসমাচার মিথ্যা, তবে ঈশ্বরের কাছে আপনার প্রতিবাদ জানান। আমরাও, যে সুসমাচারে শুধু ক্রুশীয় রক্ত বিষয়ক, এরকম অসম্পূর্ণ সুসমাচারের বিরোধীতা করি। যীশু যদি বাপ্তিস্ম গ্রহণের মাধ্যমে প্রথমে নিজের উপরে সমস্ত পাপ তুলে না নিতেন, তাহলে কিভাবে তিনি ক্রুশ বিদ্ধ হতে পারতেন?



একথা বলবেন না যে, ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাসী-গণের মধ্যে পাপ রয়েছে


 “অভিযোগ করা” বলতে, বিচার পাওয়া বুঝায়। যারা মন্দক কাজ করে কেবলমাত্র তারাই জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে পারে, যারা জল ও আত্মার সুসমাচরে বিশ্বাস করে, ঈশরের ধার্মিকতায় তাদের বিশ্বাস রয়েছে; তাই কে তাদের বিশ্বাসকে ভুল হিসাবে বিচার করতে পারে? কেবল পারে যে তারা ভুল করেছে? কেউ না, কারণ ঈশ্বর তাদের ধার্মিক করনে। জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসকারীদের মধ্যে পাপ রয়েছে –এ অভিযোগ কেউই আনতে পারে না।

“ঈশ্বর ধার্মিক করেন” (রোমীয় ৮:৩৩)। জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশাসকারীদেকে পাপহীন হিসাবে গণ্য করতে পারেন? কেবলমাএ ঈশ্বর পারেন। তিনি তাঁর ধার্মকতায় ঘোষণা করেন যে, জল ও আত্মার সুসমাচারের বিশ্বাসীগণ ধার্মিক।

যাদের মধ্যে এখনও পাপ রয়েছে, তারা “ধর্মক” হিসাবে গণ্য নয়; কিন্তু প্রকৃত অর্থেই যাদের পাপ ক্ষমা হয়ে গেছে, তারাই “পাপহীন এবং ধার্মিক।” ঈশ্বর যখন বলেন যে, যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে তারা পাপহীন, তবে তাদেরকে ভ্রান্ত এবং তাদের মধ্যে ঈশ্বরের ধার্মিকতা নাই, এমন দুঃসাহসের কথা কে বলতে পারে? পৃথিবীর কোন ধর্মতত্ত্ববিদ এমন কথা বলতে পারে না।

পবিত্রতার যে মতবাদ ধর্মীয় পবিত্রতা অর্জনে সচেষ্ট, সেই মতবাদ দ্বারা বর্তমান খ্রীষ্টিয় সমাজ দুষিত। ইংল্যান্ডের একজন ধর্মতত্ত্ববিদকে প্রশ্ন করা হল, “চার্চ অব গড কি পবিত্র?” তিনি স্বীকার করলেন যে, চার্চ অব গডেরও ক্রটি রয়েছে। স্পষ্ট, এই ধর্মতত্ত্ববিদ ঈশ্বরের ধার্মকতা বা জল ও আত্মার সুসমাচার সম্বন্ধে জানতেন না।

কিন্তু চার্চ অব গডের সমস্ত বিশ্বাসীরা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে এবং তারা পাপ থেকে মুক্ত। যদিও মাংসে তারা দূর্বল, তথাপি শুচি এবং নিখুদ ঈশ্বরের ধার্মিকতা তাদের মধ্যে রয়েছে।

চার্চ অব গডের প্রত্যেকেই কি পাপহীন? হ্যাঁ। মন্ডলী এমন জায়গা যেখানে বিশ্বাসীরা পবিত্র এবং পাপ থেকে মুক্ত হয়ে খ্রীষ্টে এক হয়। বিশ্বাসীদের মধ্যে যদি পাপ থাকে, তাহলে তারা ঈশ্বরের সন্তান নয়। কিসে তাদের পবিত্র করে? অবশ্যই জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসের মাধ্যমে ঈশ্বরের ধার্মিকতা গ্রহণ করে মানুষ পবিত্র হয়। সেই ধর্মতত্ত্ববিদ বলেন, চার্চ অব গডের ক্রটি ছিল, কারণ তারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করত না, এমনকি সে সম্বন্ধে জানতেনও না।

এমন কথা বলার দুঃসাহস কে দেখাতে পারে যে, জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসীরা পাপী? ঈশ্বরই মানুষকে “ধার্মিক” করেন। আমরা যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করি, শুধুমাত্র দূর্বলতার কারণেই আমরা পাপে থাকতে পারি? আমরা কখনই তা পারি না। তাহলে কি তার মানে এটা দাঁড়ায় যে, আমরা এখনও পাপ করলেও আমাদের কোন পাপ নেই। হ্যাঁ। আমাদের কোন পাপ নেই। এই জন্যেই জল ও আত্মার সুসমাচারে আমাদের বিশ্বাস করা উচিত। মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে পাপ করতে চায়না, কিন্তু দুর্বলতার কারণে পাপ করে।

এমন লোক খুব কমই আছে, যারা আসলে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে পাপ করতে চায়, অধিকাংশ পাপ এবং অধর্ম মানবীয় দুর্বলতার কারণে হয়ে থাকে। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তাদের হৃদয়ে কোন পাপ নেই, যেখানে ঈশ্বরের ধার্মিকতা রয়েছে। আমরা পাপহীন হয়েছি, কারণ ঈশ্বর তার ধার্মিকতার মাধ্যমে আমাদের সমস্ত পাপ দূর করে দিয়েছেন। এই জন্যই বাইবেল বলে,“ঈশ্বর ধার্মিক করেন” ঈশ্বরই ঘোষনা করেন যে, জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাসকারীরা পাপহীন, কারণ তাদের তাঁর ধার্মিকতা রয়েছে। জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করার মাধ্যমে আমরা আমাদের সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়েছি।

যীশু যদি আমাদের ভবিষ্যত পাপ তুলে না নিতেন, তাহলে আমরা কি করে পাপ থেকে মুক্ত হতে পারতাম, এবং কি করে বলতে পারতাম যে, আমরা আর পাপী নই? ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করার পরেও আমরা যদি পাপে থাকি এবং পাপ করি, তাতে কি এটা বুঝাই যে, আমরা যথেষ্ট পবিত্র নই? অথবা পরিত্রাণের যোগ্য নই এবং আমরা আবার নরকযোগ্য হয়ে পড়েছি? এর উত্তর হল ‘না। আমাদের আত্মশুচিতায় যদি পরিত্রাণ পাওয়া যায়, তাহলে জগতের কে পরিত্রাণ পেতে পারে? কেউ না! মাংসময় দেহে জীবন যাপন করা অবস্থায় এবং সম্পূর্ণরূপে আজ্ঞা পালনের দ্বারা কেউই শুচি হতে পারে না। তাই বাইবেল বলে, “ধার্মিক কেহই নাই, একজনও নাই” (রোমীয় ৩:১০)।



মানুষ স্বভাবই নিজের কর্মদ্বারা ঈশ্বরের ধার্মিকতা লাভ করতে পারে না


ঈশ্বর তাঁর একজাত পুত্রকে পাঠালেন, যোহন বাপ্তাইজক দ্বারা বাপ্তাইজিত করলেন, মানুষকে জগতের সমস্ত পাপ থেকে উদ্ধার করার জন্য তাঁকে ক্রুশীয় মৃত্যুর অনুমোদন করলেন। যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তারা বিশ্বাসে ধার্মিক হয়েছেন। এই কারণেই এই জগতে ধার্মিক ব্যক্তি আছে। ঈশ্বরের বাক্যে বিশ্বাসের মাধ্যমে অব্রাহামও বিশ্বাসে আদি পিতা হলেন।

 যদিও বর্তমানে অনেক খ্রীষ্টিয়ানেরা বলে যে, ন্যায় পরায়নতার মতবাদের মাধ্যমে ঈশ্বরের ধার্মিকতা লাভ করা যায়, কিন্তু আসলে তারা এই ব্যাপারে অজ্ঞ। ঈশ্বরের ধার্মিকতা কি? মানবিয় ধার্মিকতা থেকে তা একে বারেই ভিন্ন, কিন্তু ঈশ্বরের ন্যায় বিচার। কোন সুসমাচারে ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রকাশিত হয়েছে? জল ও আত্মার সুসমাচারে ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রকাশিত হয়েছে। যদি আমরা বিশ্বাস না করে জল ও আত্মার সুসমাচার অগ্রাহ্য করি, তাহলে আমরা ঈশ্বরের বিরোধীতা করি।

জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস স্থাপন ছাড়া কেউই পাপ থেকে মুক্ত হতে পারে না বা ঈশ্বরের ধার্মিকতা লাভ করতে পারে না। কেউই বিন্দু মাত্র ঈশ্বরের ধার্মিকতার বিরোধীতা করতে পারে? আমি অনেক দিন যাবৎ জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করছি এবং তা প্রচার করে আসছি, কিন্তু এমন একজনও পাইনি যে, এর বিরোধীতা করতে পারে। ঈশ্বরের বাক্য ভিত্তিক জল ও আত্মার সুসমাচারের বিরোধীতা কেউই করতে পারে না, কারণ ঈশ্বরের ধার্মিকতা এই সুসমাচার পাপ থেকে মুক্ত করে আমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে শুচি করে।



ঈশ্বরের ধার্মিকতা যাদের রয়েছে, কে তাদের দোষী করতে পারে


 আসুন রোমীয় ৮:৩৪ পদ পড়ি, “খ্রীষ্ট যীশু ত মরিলেন, বরং উত্থাপিতও হইলেন, আর তিই ঈশ্বরের দক্ষিণে আছেন, আবার আমাদের পক্ষে অনুরোধ করিতেছেন।” যারা ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে, তাদেরকে কি কেউ পাপী বলে দোষী করতে পারে? কেউ পারে না।

 যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করার মাধ্যমে থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বাসী হয়েছে, তাদেরকে কি কেউ পাপী বলে অভিযুক্ত করতে পারে? না। “কে দোষী করিবে?” কে বলতে পারে যে ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাসীরা পাপী?

 পাপের বেতন মৃত্যু, আপনার হৃদয়ে যদি পাপ থাকে তাহলে আপনি নরকে যাচ্ছেন। মানুষ করে বিধায় ঈশ্বর তাদের বিচার করেন। কিন্তু ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাসের মাধ্যমে যাদের পাপ তুলে নেওয়া হয়েছে, তারা ঈশ্বর কর্ত্তৃক বিচারিত হয় না, কারণ বিচারিত হওয়ার মত পাপ তাদের মধ্যে আর থাকে না। ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাসীদের ঈশ্বরই যখন বিচার করেন না, তাহলে কে তাদের দোষী করার মত দুঃসাহস দেখাতে পারে? যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস করার পরেও যদি কেউ পাপে থাকে, তবে সে পাপী, ঈশ্বর তাকে দোষী করবেন এবং তার বিচার করবেন। হৃদয়ে পাপ থাকার কারণে তারা ঈশ্বর কর্তৃক বিচারিত হবে এবং অন্য মানুষ দ্বারা পরিত্যাগক্ত হবে। কিন্তু খ্রীষ্টে কোন বিশ্বাসী যদি জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে এবং ঈশ্বরের ধার্মিকতা গ্রহণ করে, তবেই সে ঈশ্বরের দৃষ্টিতে পাপহীন হয় এবং সেই ব্যক্তিকে কেউ দোষী করতে পারে না। সেই ব্যক্তির বিবেকেও কোন পাপ থাকে না।

 “কে দোষী করিবে ? খ্রীষ্ট যীশু ত মরিলেন, বরং উত্থাপিতও হইলেন; আর তিনিই ঈশ্বরের দক্ষিণে আছেন, আবার আমাদের পক্ষে অনুরোধ করিতেছেন।” আমাদেরকে ঈশ্বরের ধার্মিকতা দান করার উদ্দেশ্য ঈশ্বরের পুত্র যীশু এই জগতে এলেন, জগতের সমস্ত পাপভার নিজের উপরে তুলে নেওয়ার জন্য যোহন বাপ্তাইজকের কাছে বাপ্তাইজিত হলেন, ক্রুশীয় মৃত্যুর মাধ্যমে রক্ত সেচন করলেন এবং আমাদের ত্রাণকর্তা হওয়ার উদ্দেশ্যে মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হলেন। তিনি এখন ঈশ্বরের দক্ষিণে বসে আছেন এবং আমাদের ত্রাণকর্তা হিসাবে আমাদের পক্ষে ঈশ্বরের কাছে অনুরোধ করছেন।

 ঈশ্বরের ধার্মিকতা যাদের রয়েছে, পবিত্র আত্মাও তাদের পক্ষে প্রার্থনা করেন। যীশু স্বর্গে আমাদের জন্য প্রার্থনা করেন। পবিত্র আত্মাও আমাদের পক্ষে পিতা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন, কিন্তু ভিন্নভাবে, যখন আমরা দূর্বল হয়ে পড়ি, তখন তিনি অবক্তব্য আত্তস্বর দ্বারা আমাদের পক্সে প্রার্থনা করেন।

 যারা জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করে, তাদের হৃদয়ে ঈশ্বরের ধার্মিকতার শুচিতা আমাদের বলে যে, জল ও আত্মার সুসমাচার ও শুচি।