Sermons

[9-2] < রোমীয় ৯:৯-৩৩ > আমরা অবশ্যই জানি যে, ঈশ্বর ধার্মিকতার সহিত পূর্ব সংকল্প স্থির করেছিলেন


< রোমীয় ৯:৯-৩৩ >

“কেননা এই ঋতুতেই আমি আসিব, “তখন সারার এক পুত্র হইবে,” ইহা প্রতিজ্ঞারই বাক্য। কেবল তাহা নয়, কিন্তু আবার রিবিকা এক ব্যক্তি হইতে আমাদের পিতৃপুরুষ ইসহাক হইতে, গর্ভবতী হইলে পর, যখন সন্তানেরা ভূমিষ্ট হয় নাই, তখন ঈশ্বর নির্ব্বাচননানুরূপ সংকল্প যেন স্থির থাকে, কৰ্ম্ম হেতু নয়, কিন্তু আহবানকারীর ইচ্ছা হেতু-তাঁহাকে বলা গিয়াছিল, “জ্যেষ্ঠ কনিষ্ঠের দাস হইবে” যেমন লিখিত আছে, “আমি যাকোবকে প্রেম করিয়াছি, কিন্তু এষৌকে অপ্রেম করিয়াছি।” তবে আমরা কি বলিব? ঈশ্বরে কি অন্যায় আছে? তাহা দূরে থাকুক। কারণ তিনি মোশীকে বলেন, আমি যাহাকে দয়া করি, তাহাকে দয়া করিব; ও যাহার প্রতি করুণা করি, তাহার প্রতি করণা করিব। অতএব যে ইচ্ছা করে, বা যে দৌড়ে, তাহা হইতে এটী হয় না, কিন্তু দয়াকারী ঈশ্বর হইতে হয়। কেননা শাস্ত্ৰ ফরৌণকে বলে, আমি এই জন্য তোমাকে উঠাইয়াছি, যেন তোমাতে আমার পরাক্রম দেখাই, আর যেন সমস্ত পৃথিবীতে আমার নাম কৃর্ত্তিত হয়। অতএব তিনি যাহাকে ইচ্ছা, তাহাকে দয়া করেন; এবং যাহাকে ইচ্ছা, তাহাকে কঠিন করেন। ইহাতে তুমি আমাকে বলিবে, তবে তিনি আবার দোষ ধরেন কেন? কারন তাঁহার ইচ্ছার প্রতিরোধ কে করে? হে মনুষ্য, বরং, তুমি কে যে ঈশ্বরের প্রতিবাদ করিতেছ? নির্ম্মিত বস্তু কি নির্ম্মাতাকে বলিতে পারে, আমাকে এরূপ কেন গড়িলে? কিম্বা কাদার উপরে কুম্ভকারের কি এমন অধিকার নাই যে, একই মৃৎপিন্ড হইতে একটী সমাদারের পাত্র, আর একটা অনাদরের পাত্র গড়িতে পারে? আর ইহাতেই বা কি?-যদি ঈশ্বর আপন ক্রোধ দেখাইবার ও আপন পরাক্রম জানাইবার ইচ্ছা করিয়া, বিনাশার্থে পরিপক্ক ক্রোধপাত্রদের প্রতি বিপুল সহিষ্ণুতায় ধৈর্য্য করিয়া থাকেন, এবং {এই জন্য করিয়া থাকেন,} যেন সেই দয়াপাত্রদের উপরে আপন প্রতাপ-ধন জ্ঞাত করেন, যাহাদিগকে প্রতাপের নিমিত্ত পূর্ব্বে প্রস্তুত করিয়াছেন, আর যাহাদিগকে আহান করিয়াছেন, কেবল যিহূদীদের মধ্য হইতে নয়, পজোতিদেরও মধ্য আমাদিগকেই কয়িছেন। যেমন তিনি হোশেয়-গ্রন্থেও বলেন, 

‘যাহারা আমার প্রজা নয়, তাহা- 

দিগকে আমি নিজ প্রজা বলিব,

এবং যে প্রিয়তমা ছিল না, 

তাহাকে প্রিয়তমা বলিব।’

‘আর যে স্থানে তাহাদিগকে বলা

গিয়াছিল, ‘তোমরা আমার

প্রজা নও;’

সেই স্থানে তাহাদিগকে বলা

যাইবে ‘জীবন্ত ঈশ্বরের

পুত্র।’

আর যিশাইয় ইস্রায়েলের বিষয়ে এই কথা উচ্চৈঃস্বরে বলেন, “ইস্রায়েল-সন্তানগণের সংখ্যা যদি সমুদ্রের বালুকার ন্যায়ও হয়, অবশিষ্টাংশই পরিত্রাণ পাইবে; যেহেতু প্রভু পৃথিবীতে আপন বাক্য, সাধন করিবেন, তাহা সম্পূর্ণ এবং সংক্ষিপ্ত করিবেন।” আপর যেমন যিশাইয় পূর্ব্বে বলিয়াছিলেন, “বাহিনীগণের প্রভু যদি আমাদের জন্য একটী বীজ অবশিষ্ট না রাখিতেন, তবে আমরা সদোমের তুল্য হইতাম, ও ঘমোরার তুল্য হইতাম।” তবে আমরা কি বলিব? পরজাতীয়েরা, যাহারা ধার্মিকতার অনুধাবন করিত না, তাহারা ধার্মিকতা পাইয়াছে, বিশ্বাসমূলক ধার্মিকতা পাইয়াছে; কিন্তু ইস্রায়েল ধার্মিকতার ব্যবস্থার অনুধাবন করিয়াও সেই ব্যবস্থা পর্যন্ত পঁহুছে নাই। কারণ কি? বিশ্বাস দ্বারা নয়, কিন্তু যেন কৰ্ম্ম দ্বারা তাহারা অনুধাবন করিত। তাহারা সেই ব্যাঘাতজনক প্রস্তরে ব্যাঘাত পাইল; যেমন লেখা আছে,

“দেখ, আমি সিয়োনে ব্যাঘাত

জনক প্রস্তর ও বিঘ্নজনক

পাষান স্থাপন করিতেছি;

আর যে তাঁহার উপরে বিশ্বাস

করে, সে লজ্জিত হইবে

না।””



ঈশ্বর কর্তৃক পূর্বে মনোনয়নের সংকল্প কি?


আসুন আমরা ঈশ্বরের পূর্বে স্থিরকৃত সংকল্পে মনোযোগ দেই। পূর্বে স্থির কি, এটা যথাযথভাবে বুঝতে হলে আমাদের ঈশ্বরের লেখা বাক্যের দিকে তাকাতে হবে, এবং যদি আমাদের বিশ্বাসের মধ্যে কোন ভুল থাকে তা নিজেদেরই সংশোধন করতে হবে। এইজন্য প্রথমে অবশ্যই আমাদেরকে বুঝতে হবে কেন ঈশ্বর যখন যাকোবকে প্রেম করতেন তখন এষৌকে ঘৃনা করতেন। আমাদের অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে সমসাময়িক খ্রীষ্টিয়ানরা পূর্বস্থির বলতে কি বোঝে এবং শাস্রের মধ্যে পার্থক্য। ঈশ্বরের স্থাপন করা পূর্বনির্ধারনের সঠিক অর্থ আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে।

ঈশ্বরের নিকট থেকে অনুগ্রহ পেতে, আমাদের খ্রীষ্টিয়ানদের খুঁজে বের করতে হবে কিভাবে ঈশ্বর পূর্বনির্ধারন তাঁর সংকল্পে স্থির করলেন। ঈশ্বরের সংকল্প ভাবতে গিয়ে অনেক সমসাময়িক খ্রীষ্টিয়ানরা ভাবে, যেমন যাকোব এবং এষৌর ভাগ্য ঈশ্বর একতরফা শর্তহীনভাবে পূর্বনির্ধারন করেছিলেন, ঠিক তেমনি তাদের ভাগ্যও বিশ্বাসের প্রাসঙ্গিকতা ব্যতিত জন্মের পূর্বেই নির্ধারন করা আছে। কিন্তু এটা সত্য নয়। যেখানে আমরা ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করি বা না করি সেখানে সেটা দ্বারা ঈশ্বর সংকল্প করেন তিনি আমাদের ভালবাসেন কি ভালবাসেন না। এটাই সত্য যা ঈশ্বর তাঁর সংকল্পের মধ্যদিয়ে আমাদেরকে দিয়েছেন।



আপনি যদি সঠিকভাবে ঈশ্বরের পূর্বনির্ধারন বুঝতে চান, আপনার নিজেস্ব চিন্তা পরিত্যাগ করে ঈশ্বরের ধার্মিকতার উপরে আলোকপাত করার প্রয়োজন


কারণ অনেক মানুষ চিন্তা করে না এবং বিশ্বাস করে না যে, যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে ঈশ্বরের ধার্মিকতা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়, তাদের পছন্দের কত উপায়ে তারা ঈশ্বরের ভালবাসার পরিচর্য্যা করতে পারে, এবং এমনকি অনেকে মনে করে ঈশ্বরের ভালবাসা সঠিক নয়। তাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে, চিন্তা করার এটা কোন সঠিক উপায় না। আমাদের প্রয়োজ ঈশ্বরের ধার্মিক সংকল্প ত্যাগ না করে, যা যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে প্রতীয়মান নিজেদের ভ্রান্ত প্রত্যয় গণনা করা। আপনি যদি সাধারনভাবে চিন্তা করেন যে ঈশ্বর যখন কাউকে ভালবাসেন, তখন এটা একটা এক প্রকারের ভুল ধারনা। যা আপনার নিজস্ব ভ্রান্ত ধারনা দ্বারা প্রস্তুকৃত।

মানুষের মন ভ্রান্ত জিন্তা দ্বারা আক্রান্ত। সমসাময়িক খ্রীষ্টিয়ানের সঠিক বিশ্বাস নেই কারণ তাদের মন প্রায়শই ভ্রান্ত জিন্তায় উথলিয়ে পড়ে। একারণে আপনার মূল্যহীন বিশ্বাস ত্যাগ করতে হবে এবং সটিক উপায় ঈশ্বরের বাক্য এবং তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করতে হবে।

যেহেতু পূর্বনির্ধারণ ঈশ্বরের ধার্মিকতার দ্বারা সংকল্পিত হয়েছিল, এটা সঠিক ভাবে বোঝা যায় যখন আমরা তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করি। তাহলে অবশ্যই আমাদের তাঁর ধার্মিকতা এবং সংকল্পে বিশ্বাস করতে হবে। ঈশ্বরের সংকল্প হল যারা ধার্মিকতার দ্বারা তাঁর প্রেমে বিশ্বাস করে তাদেরকে তাঁর ধার্মিকতায় আবৃত করবেন।

 তাহলে, পূর্বনিরূপন হল, তিনি বিশ্বাসীদের তাঁর লোক করতে পাপের মুক্তি এবং পরিত্রাণ আবৃত করবেন এবং যীশুর বাপ্তিস্ম ও ক্ৰুশীয় মৃত্যুর মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করবেন। ঈশ্বরের ধার্মিক সংকল্পে বিশ্বাসের দ্বারা আমাদের অবশ্যই তাঁর সাথে সঠিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। যা যাকোবের ন্যায় ঈশ্বর তাদের তাঁর প্রেমের বস্তু হিসাবে বিকশিত করেছেন, যেখানে তিনি এষৌর মত লোকদের ক্রোধের বস্তু করেছেন।



ঈশ্বরের পূর্বনিরূপন নিয়তি নিয়ন্ত্রিতর মত নয়


ঈশ্বরের সংকল্পে পূর্বনির্ধারিণ তাঁর ধার্মিকতার মাধ্যমে স্থাপিত হয়েছিল। ঈশ্বরের প্রেম কোন কিছু খামখেয়ালী ভাবে কোন সংকল্প ব্যতিত স্থাপন করেন না। যদি কেউ মর্তহঅন ভাবে জন্মের পূর্বেই নির্বাচিত হয়ে থাকে, যেমন তাঁর জীবন ভাগ্য দ্বারা স্থিরকৃত, তাহলে কিভাবে একজন যীশুর ধার্মিকতা দ্বারা পাপ থেকে মুক্তি পাবে? কারো যদি তার জন্মের পূর্বে স্থির করা হয় ঠিক যেমন ভাবে ঈশ্বর তাকে পূর্ব সঙ্কল্প এবং পুর্ব সিদ্ধান্তের পরিনতিতে ভালবাসেন কি ভালবাসের না, কে চিন্তা করে যে ঈশ্বর ধার্মিক, এবং কে এই ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে? কেউ এই ধরণের খামখেয়ালী ও স্বেচ্ছাচারী ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে চায় না।

কিন্তু আমাদের ঈশ্বর না খামখেয়ালী, না স্বেচ্ছাচারী, কিন্তু তাঁর ধার্মিকতা দ্বারা সমস্ত পাপ মুক্ত করতে এবং তিনি আমাদেরকে তাঁর লোক করতে চান। ঈশ্বর ধার্মিকতার মধ্য দিয়ে আমাদেরকে তাঁর সংকল্প দিয়েছেন এবং এই প্রেমের ধার্মিকতার মধ্য দিয়ে তিনি আমাদেরকে ক্ষমা প্রদান করেছেন। যারা তাঁর ধার্মিকতার প্রেমে বিশ্বাস করে তিনি তাদের তাঁর প্রেমে আবৃত করতে প্রস্তুত, এবং যারা ইহা বিশ্বাস করে না তাদেরকে ক্রোধ আবৃত করতে প্রস্তুত। 

যারা ঈশ্বরের পূর্বনির্ধারণকে ভুল বুঝে ক্ষুব্ধ হয়েছে আমি নিন্মে তাদের কিছু বলতে চাই। যারা আমরা তাঁর দ্বারা সৃষ্ট, তাঁর সংকল্প হচ্ছে আমাদেরকে তার লোক করা। অতএব অবশ্যই আমাদের তাঁর পূর্বনির্ধারণের জন্য ধন্যবাদ পূর্ণ থাকতে হবে। ইহা আমাদের পক্ষে ভাল যারা তাঁর লোক হতে ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করি, তাদের থেকে, যারা তাঁকে ভৎসনা করে ক্ষুব্ধ হয়। প্রত্যেকে আমরা যারা যীশুকে ত্রাণকর্তারূপে বিশ্বাস করি, আমাদের অবশ্যই ঈশ্বরের পূর্ব নির্ধারণের উপরে সঠিক বিশ্বাস থাকতে হবে।



আহবানকারীর ইচ্ছা অনুসারে ঈশ্বরের পূর্বনিরূপন স্থিল 

করা হয়েছিল


রোমীয় ৯:৯-১৩ পদ থেকে আজকের অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “কেননা এই ঋতুতেই আমি আসিব, “তখন সারার এক পুত্র হইবে” ইহা প্রতিজ্ঞারই বাক্য। কেবল তাহা নয়, কিন্তু আবার রিবিকা এক ব্যক্তি হইতে আমাদের পিতৃপুরুষ ইসহাক হইতে, গর্ভবতী হইলে পর, যখন সন্তানেরা ভূমিষ্ট হয় নাই, তখন ঈশ্বর নির্ব্বাচননানুরূপ সংকল্প যেন স্থির থাকে, কৰ্ম্ম হেতু নয়, কিন্তু আহবানকারীর ইচ্ছা হেতু-তাঁহাকে বলা গিয়াছিল, “জ্যেষ্ঠ কনিষ্ঠের দাস হইবে” যেমন লিখিত আছে, আমি যাকোবকে প্রেম করিয়াছি, কিন্তু এষৌকে অপ্রেম করিয়াছি।”

এই অনুচ্ছেদে আমাদিগকে বলছে যে, ঈশ্বরের পূর্বনির্ধারণ হল ঈশ্বরের প্রেম, বা ঈশ্বরের প্রেমের মাধ্যমে সংকল্পিত হয়েছিল। যেমন আদি ১৮:১০ পদে দেখানো হয়েছে, যদিও মানবিক দিক দিয়ে সবারসন্তান ধারণ অসম্ভব ছিল, তথাপি অব্রাহাম ঈশ্বরে বিশ্বাস করতেন। ঈশ্বর পুত্র আব্রাহামকে কথা দিয়েছিলেন। এভাবে ঈশ্বর অব্রাহামকে ধার্মিক করেছিলেন: ঈশ্বর তাঁর সন্তান ইসহাককে তাকে দিয়েছিলেন, কারণ তিনি তাঁকে বিশ্বাস করেছিলেন এবং ঈশ্বর তার সত্যের প্রমাণ পেয়েছিলেন।

 সুতরাং যখন আমরা ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিষয়ে কথা বলি, আমরা ঈশ্বরের কাক্যে বিশ্বাসের বিষয়ে কথা বলি। ঈশ্বরের পূর্ব নির্ধারন এবং সংকল্পের বিষয়ে তার বাক্যের মাধ্যমে আমাদের আলোচনা পরিচালিত করি। যারা দ্রুত অন্যথা করে, লোকেরা ঈশ্বরের ধার্মিকতায় পৌঁছাতে দিধান্বিত হয়। দাবী করে যে তারা প্রার্থনা অথবা স্বপ্নের মধ্যে চিহ্ন দেখতে পাবে- এভাবে তাদের বিশ্বাসের দ্বারা প্রচুর পরিমাণ ভুল করে।

পৌল পুনরায় সংযুক্ত করলেন, “যখন সন্তানেরা ভূমিষ্ট হয় নাই, তখন ঈশ্বর নির্বাচননানুরূপ সংকল্প যেন স্থির থাকে, কর্ম্ম হেতু নয়, কিন্তু আহবানকারীর ইচ্ছা হেতু- তাঁহাকে বলা গিয়াছিল, “জ্যেষ্ঠ কনিষ্ঠের দাস হইবে””

শাস্ত আমাদের বলে যে, ইসহাকের কোন সন্তান ছিল, তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন এবং ঈশ্বর যমজ সন্তান প্রদানের মাধ্যমে তারা প্রদানের মাধ্যমে তার প্রার্থনার উত্তর দিয়েছিলেন। আমরা দেখতে পাই, যাদেরকে ঈশ্বর ভালবাসেন তাদের সাথে পূর্ব নির্ধারণ এবং ধার্মিকতার সংকল্পের একটি মিল রয়েছে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ ১১পদের পুনরক্তি করা হল: “যখন সন্তানেরা ভূমিষ্ঠ হয় নাই, তখন ঈশ্বর নির্বাচননানুরূপ সংকল্প যেন স্থির থাকে, কর্ম্ম হেতু নয়, কিন্তু আহবানকারীর ইচ্ছা হেতু-” ঈশ্বরের পূর্ব নিরূপণ এবং নির্বাচন বুঝতে পারার চাবিকাঠি হল, “যাদেরকে তিনি আহবান করেছেন” তাদের উদ্দেশ্য স্থির করা। ঈশ্বরের পূর্বনিরূপন এবং সংকল্প অনুযায়ী ঈশ্বর যাকোবকে প্রেম করলেন এবং আহবান করলেন।

অন্যকথায়, যে সমস্ত লোক যাকোবের মত এবং ঈশ্বরের ধার্মিকতা থেকে দূরে আছে, ঈশ্বর সেই সমস্ত লোকদের আহবান এবং প্রেম করেন। ঈশ্বর এষৌকে আহবান করেন নাই, যে নিজেকে ধার্মিকত এবং অহংকারী ভাবে। ঈশ্বরের সংকল্পের মধ্যেই পূর্বনিরুপন স্থিরিকৃত, ঈশ্বর যাকোবের মত লোকদের আহবান এবং প্রেম করেন, এর অবশ্যই একটা ব্যাপার আছে। পাপীদেরকে তাদের পাপ থেকে মুক্ত করে তাঁর সন্তান করার উদ্দেশেই যাকোবের ন্যায় লোকদেরকে আহবান করেছেন। যাকোব এবং এষৌ দুজনের মধ্য ঈশ্বর যাকোবকে আহবান করেছিলেন এবং তাকেই তাঁর প্রেম আবৃত করেছিলেন।

 ঈশ্বরের সংকল্প অনুসারে আমরা তাঁর ধার্মিকতাকে অবশ্যই জানব এবং বিশ্বাস করব। যাকোবের মত এই প্রকারের পাপীদে ঈশ্বর তাঁর ধার্মিকতার অনুগ্রহ প্রদর্শন করেছেন। যেখানে এষৌর মত লোকেরা নিজেদের ধার্মিকতা দ্বারা ক্রমাগত ঈশ্বরের প্রেম ও ধার্মিকতার বিরুদ্ধাচারণ করার মাধ্যমে ঈশ্বরের বিরোধীতা করে। ঈশ্বর নিরূপিত “যাদের তিনি আহবান করেন” এই সংকল্প বুঝতে পারা এবং তাঁর সংকল্পির পূর্বনিরূপন বুঝতে পারার চাবিকাঠি হল ঈশ্বরের বাক্য প্রকাশের মাধ্যমে।

আমাদের নিজস্ব চিন্তাধারা থেকে তৈরী অলীক বিশ্বাস থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হবে। ঈশ্বর তাঁর ধার্মিকতায় শুধু যাকোবকে প্রেম করতে এবং এষৌকে ঘৃনা করতে পারতেন। ঈশ্বরের সংকল্পের ব্যাখ্যা এবং পূর্বনিরূপন প্রত্যেকের জন্য তাঁর ঘোষনা অনুযায়ী “যাদের তিনি আহবান করেন” তাদের জন্য নিরূপিত। ঈশ্বরের সংকল্পিত প্রেমের সত্য তাঁর ধার্মিকতা সিদ্ধ হয়েছে। যখন ঈশ্বর যাকোবকে প্রেম করলেন এবং এষৌকে ঘৃনা করলেন, তখন ঈশ্বরের পরিত্রাণের পরিকল্পনা অনুযায়ী তাঁর ধার্মিকতা সাধিত হল।

অন্য ধর্মগুলো যেমন দাবী করে, ভাল কাজের জন্য আপনি ঈশ্বরের প্রেম এবং সুরক্ষিত হন, এটা ঠিক নয়, কিন্তু শুধুমাত্র তাঁর পরিকল্পনা এবং ধার্মিকতায় বিশ্বাস করলে আপনি সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি এবং তাঁর সন্তান হতে পারেন।



ঈশ্বর কি ভুল করেছেন?


যারা ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে এবং তা প্রেম করে, ঈশ্বর তাদের প্রেম করেন। অন্যকথায়, এতে ঈশ্বর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোন ভুল করেননি যে, যারা ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে, যীশু খ্রীষ্টের মাধ্যমে তাঁর সন্তান হবে, তাদেরকে তিনি প্রেম করবেন। ঈশ্বর, যীশু খ্রীষ্টে প্রত্যেককেই প্রেম করার সংকল্প করেননি, কিন্তু তিনি যাকোবের মত লোকদেকে প্রেম করার সংকল্প করেছিলেন।

 আমাদেরকে অবশ্যই এই প্রশ্ন করতে হবে যে, আমরা যাকোবের মত নাকি এষৌর মত। কিন্তু যারা নিজেদের সৎকর্ম এবং আত্মধার্মিকতায় পূর্ন, তারা ঈশ্বরের প্রেম পেতে চায়, কিন্তু ভুল পথে ধাবিত হওয়া থেকে কেউই তাদেরকে উদ্ধার করতে পারে না। সুতরাং, যেমন বলছি, ঈশ্বরের প্রেমে স্থিত এবং ঈশ্বর কর্ত্তৃক ঘৃনিত- এই দুই ধরণের লোক এখনও রয়েছে।

আমাদেরকে তাঁর ধর্মময় প্রেম এবং তাঁর সংকল্পিত পরিত্রাণ দিয়েছেন বলে আমরা অবশ্যই ঈশ্বরের ধন্যবাদ এবং গৌরব করি। আমরা আরো ধন্যবাদ করি যে, ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রকাশিত জল সুসমাচারে আমাদের বিশ্বাস করতে সুযোগ দিয়েছেন। এই সত্য প্রত্যেককে অবশ্যই অনুধাবন করতে হবে যে, নিজের অধর্ম এবং পাপ ঈশ্বরের সাক্ষাতে প্রথমে স্বীকার করতে হবে এবং তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করতে হবে।

অনেক খ্রীষ্টিয়ানের জন্য সমস্যা হল যে, তারা যীশুর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় সত্যে সাধিত ঈশ্বরের ধার্মিকতার সত্যে বিশ্বাস করতে সক্ষম নয়, বরং ভুল ভাবে বিশ্বাস করে যে, এটা অদৃষ্টের ব্যাপার যে ঈশ্বর কাউকে কাউকে প্রেম করেন এবং অন্যদের ঘৃণা করেন। 

এই দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপারটি আরও সমস্যাম্পূর্ণ যে, এই ধরনের অসম্পূর্ণ বিশ্বাস এখনও পৃথিবীতে রয়েছে এবং দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে তা প্রচারিত হচ্ছে। এটা এত দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে; ঈশ্বরের প্রেমের প্রতি মানুষের ভুল ধারনাকে ঈশ্বরের পূর্ব মনোনয়নের ভ্রান্ত ধারনা দ্বারা বিস্তৃত করছে। যাকোব এবং এষৌর কাহিনী দ্বারা ঈশ্বর আমাদের এই বোঝাতে চাচ্ছেন যে, ঈশ্বরের সন্তান হতে হলে মানবীয় ধার্মিকতার প্রয়োজন নাই, কিন্তু ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে বিশ্বাস প্রয়োজন , যা ঈশ্বর তাঁর সংকল্পের মাধ্যমে পূর্ব নিরূপন করে রেখেছিলেন।

শাস্ত্র আমাদেরকে বলে যে, অব্রাহমের কাছে প্রতিজ্ঞাত পুত্রকে ঈশ্বর সারাকে দিয়েছিলেন। এই সত্য আমাদের বলে যে, যারা ঈশ্বরের প্রেম এবং তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করে, আজও তারা তাঁর সন্তান হতে পারে। এই ধরনের সন্তান হতে হলে সত্য আমাদের স্বীকার করতে হবে, আমাদের জন্য দেওয়া ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস করতে হবে এবং তাঁর সংকল্পে বিশ্বাস করতে হবে; এবং এই সত্যে বিশ্বাস করতে হলে, ঈশ্বরের প্রেম এবং তার ধার্মিকতায় বিশ্বাস করতে হবে।

 এই সম্পূর্ণ সত্য এবং প্রেমে আমাদের প্রতি যীশু খ্রীষ্টের প্রেম এবং ঈশ্বরের সংকল্প প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের পাপ থেকে উদ্ধার করার জন্য যীশু তাঁর বাপ্তিস্মের মাধ্যমে নিজের উপরে আমাদের সমস্ত পাপ তুলে নিলেন, ক্ৰুশে মৃত্যুবরণ করলেন এবং মৃত্যু থেকে পুনরুত্থিত হলেন, - যারা বিশ্বাস করে, তাদের প্রত্যেককে অনন্ত জীবন দেওয়ার উদ্দেশে তিনি এইসব কাজ সাধন করলেন।

এই সত্য দ্বারা এটা বুঝায় না যে, কেবলমাত্র ধার্মিক হয়ে বা নিজের কাজ প্রদর্শন করে আমরা তাঁর সন্তান হতে পারি না। কিন্তু কেবলমাত্র ঈশ্বরের ধার্মিকতার বাক্যে বিশ্বাস করে এবং তাঁর সংকল্পে বিশ্বাস করে আমরা তাঁর সন্তান হতে পারি। আমাদের সকলকে অনুধাবন করতে হবে যে, কেবলমাত্র তাঁর ধার্মিকতা এবং প্রেমে বিশ্বাসের মাধ্যমে আমরা তাঁর প্রেমে সজ্জিত হতে পারি।

তাহলে আমাদের স্বভাব কি হওয়া উচিত? যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর রক্তে বিশ্বাস থাকা ঈশ্বরের কাছে অবশ্যই অনুগ্রহ যাচ্ঞা করতে হবে। ঈশ্বরের সাক্ষাতে আমাদের এই কথা স্বীকার করতে হবে যে, আমরা সবাই পাপী, তাঁর আহবান পাওয়ার যোগ্য নই। এই কথা আমাদের অবশ্যই বুঝতে হবে যে, কেবলমাত্র তাঁর আহবানের মাধ্যমে আমরা তাঁর ধার্মিকতার প্রেম পেতে পারি, তাঁর সন্তান হতে পারি।

ঈশ্বর কর্ত্তৃক যদি ঘৃনিত হয়, তার কারণ হল, তারা মনে করেনা যে, ঈশ্বরের ধার্মিকতা এবং প্রেমে তাদের প্রয়োজন রয়েছে; তারা তাতে বিশ্বাসও করে না। এই জন্য অবশ্যই আমাদের জন্য ঈশ্বরের পূর্বনিরূপিত প্রেম ও সংকল্প সম্বন্ধে জানতে হবে এবং তাতে বিশ্বাস করতে হবে। পরিস্কার সত্য হল এই যে, যারা তাঁর ধার্মিকতার প্রেম জানে এবং তাতে বিশ্বাস করে, তারা তাঁর প্রেম পায়; কিন্তু যারা তাঁর প্রেমকে অস্বীকার করে এবং প্রত্যাখ্যান করে, তারা ঈশ্বর কর্ত্তৃক পরিত্যাক্ত হয়।



কারা জল ও আত্মার সুসমাচার গ্রহণ করতে পারে?


ঈশ্বর প্রদত্ত জল ও আত্মার যে সুসমাচার দেওয়া হয়েছে, ইহাই একমাত্র সত্য যা তাঁর ধার্মিকতায় প্রকাশিত হয়েছে। তাহলে এই ধরনের লোক কারা যারা তাদের হৃদয়ে এই সত্যকে গ্রহণ করে? এরাই সেই লোকেরা, যারা বুঝতে পারে যে তাদের ভুল গন্তব্য অনন্ত নরকে এবং তারা ঈশ্বর এবং তাঁর বাক্যের সম্মুখে পাপী এবং তাঁর অনুগ্রহ যাচ্ঞা করে। “আমি একজন পাপী, প্রভু, আপনার ব্যবস্থার দ্বারা আদৌ বেঁচে থাকতে পারি না। আমি আমার হৃদয় দিয়েছি এবং তোমাতে সমর্পিত হয়েছি।” এই ধরনের লোকদের মধ্যে যাদের ঈশ্বর মনোনীত করেছেন, এবং তাঁর ভালবাসা ও তার ধার্মিকতার মধ্য দিয়ে তাদের পাপ ক্ষমা করেছেন। সুসমাচারে বিশ্বাসের মধ্য দিয়ে যা ঈশ্বরের ধার্মিকতাকে প্রকাশ করে, তা সমস্ত পাপীদের জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ঈশ্বর আমাদেরকে তাঁর ব্যবস্থা দেন নাই, সুতরাং আমরা অন্যের দ্বারা মাঝে মাঝে এইসব ব্যবস্থার ধারা অনুসরণ করি। যদিও ব্যবস্থার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের পাপসমূহ চিনিয়ে দেওয়ার জন্য ধাবিত করা। তাহলে, কেন পাপীরা ব্যবস্থা অনুসরণ করে? এর কারণ প্রত্যেক পাপীদের তাদের (স্ত্রী/পুং) তাদের কৃত পাপের মুক্তির পরিত্রাণ অনুসন্ধান করেন।

কিন্তু কেউই ব্যবস্থার সব কিছু যথাযথভাবে পালন করতে সমর্থ নয়। তাদের একমাত্র প্রচেষ্টা ছিল অনুকরণ করা, সঠিকভাবে অনুকরণমূলক ব্যাঙ্গ করা, হতাশার মধ্য দিয়ে তাদের পাপ ঢেকে ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া, ঈশ্বরের সম্মুখে বিশ্বাসের প্রবঞ্চনা করা।

এই প্রেমে আমাদেরকে আবৃত করতে, ঈশ্বর যীশুকে এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন, যিনি, যোহনের দ্বারা বাপ্তাইজিত হয়েছিলেন, পৃথিবীর সমস্ত তাঁর কাধে বহন করেছেন এবং ক্ৰুশে রক্ত সেচনের মধ্য দিয়ে সমস্ত পাপ মুছে দিয়েছেন। যারা তাঁর ধার্মিকতার প্রেমকে বিশ্বাস করে, ঈশ্বর তাদের বিশ্বাসকে বুঝতে পেরেছিলেন। জল ও আত্মার সুসমাচার বিশ্বাসের মাধ্যমে যখন আমরা সমস্ত পাপ থেকে পরিত্রাণ পাই, যা সম্পূর্ণরূপে ঈশ্বরের ধার্মিকতায় পরিপূর্ণ, তখন আমরা তাঁর প্রেমে আবৃত হই। ইহাই প্রতিজ্ঞাত সত্য যা ঈশ্বর আমাদের পরিত্রাণের জন্য তাঁর সংকল্পে স্থির করেছিলেন।

যারা নিজেদের উপর নির্ভর করে ঈশ্বর তাদেরকে ঘৃনা করেন। আমাদের চারপাশে এই ধরনের অনেক লোক আছে। কিন্তু আপনাকে অবশ্যই যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর রক্ত, যা ঈশ্বরের প্রেম এবং তাঁর ধার্মিকতায় পরিপূর্ণ, তাতে বিশ্বাসের মাধ্যমে সমস্ত পাপ থেকে পরিত্রাণ পেতে হবে। তখন আপনি অবশ্যই ঈশ্বরের প্রেমে আবৃত হবেন, যাদেরকে তিনি আহবান করেছেন তাদের জন্যই ইহা সংরক্ষণ করা হয়েছে। লোকেরা তাঁর প্রেমকে জয় করার জন্য এবং পাপের ক্ষমা পাওয়ার জন্য কখনও কখনও ঈশ্বরের জন্য কিছু করার চেষ্টা করে, কিন্তু ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস ব্যতিত এই প্রকারের ইচ্ছা মূল্যহীন।

ঈশ্বর, তাঁর প্রেমে আবৃত হওয়ার জন্য একমাত্র যাকোবকেই আহবান করেছিলেন, এষৌঅ্যাকে নয়। ঈশ্বরের সাক্ষাতে ছিলেন একজন দক্ষ এবং মিথ্যাবাদী প্রবঞ্চক, কিন্তু ঈশ্বরের প্রেম এবং তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাসের কারণেই তিনি বিশ্বাসীদের একজন পিতা হয়েছিলেন। আমরাও যীশুর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় রক্তে বিশ্বাসের দ্বারা আমাদের পরিত্রাণ স্বরূপ ঈশ্বরের পরিপূর্ণ ধার্মিকতা অবশ্যই গ্রহণ করব। কারণ এষৌ তার নিজ ইচ্ছায় পিতার দ্বারা আশীর্বাদ পাওয়ার চেষ্টা করেছিল, তিনি তাদের অনুসারী হয়েছিলেন, যারা ঈশ্বরের আশীর্বাদ পায় নাই। এই বিষয়টি ভালভাবে অনুধাবন করার জন্য আমাদের কিছু সময় ব্যয় করা প্রয়োজন। এই পৃথিবীরতে এষৌর মত কারা? আমরা কি তার মত নই?

যাকোবের ন্যায় ঐ সমস্ত লোকেরা ঈশ্বরের প্রেমে সম্পূর্ণরূপে নিমগ্ন থাকে। আমরা জানি যে, আমরাও যাকোবের মত দূর্বল এবং পাপী ছিলাম। যদিও আমাদের জন্মের পূর্বেই ঈশ্বর আমাদেরকে মনোনীত করেছেন, আমাদের কোন কাজর দ্বারা নয়, কিন্তু তাঁর আহবানের মধ্য দিয়ে, তাঁর প্রেম গ্রহণ করার জন্য তিনি আমাদেরকে তাঁর প্রেম ও ধার্মিকতায় বিশ্বাস স্থাপন করতে বলেছেন। আমাদের সকলের নিমিত্ত ঈশ্বর তাঁর সংকল্প অনুসারে যীশু খ্রীষ্টকে পাঠিয়েছিলেন, যিনি, ঈশ্বরের ধার্মিকতায় পরিপূর্ণ ছিলেন।

যখন ঈশ্বর আমাদেরকে প্রথম আহবান করেছিলেন, তিনি পাপীদের আসতে আহবান করেছিলেন, ধার্মিককে নয়। তারা, যারা তাঁর জন্য ঘৃনিত হয়েছে, যারা নিজেদেরকে ধার্মিক দেখানোর জন্য নিজেদের বিষয় চিন্তা করে এবং তাঁর কৃপাময় অপার প্রেমকে বিশ্বাস করে না। ঈশ্বরের জন্য যারা এরূপে ঘৃনিত হয়ে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে, ঈশ্বরের প্রেমে আবৃত হতে পারে নাই, তারাই তাঁর লোক। ঈশ্বর তাঁর হৃদয়ে পূর্ব হতেই এই সত্যকে নিরূপণ করে রেখেছেন। সুতরাং পৌল নিশ্চিতভাবে বলেছেন যে, “তবে আমরা কি বলিব? ঈশ্বরের কি অন্যায় আছে? অবশ্যই না!” (রোমীয় ৯:১৪)



যারা যাকোবের মত ঈশ্বর তাদেরকে প্রেম করেন


যখন ঈশ্বর আপনার দিকে তাকান, আপনি কি সত্যই ঐ সমস্ত লোকদের মধ্যে একজন যাদেরকে তিনি ক্ষমা করেছেন? ঈশ্বর যাদের অনুগ্রহ করেন তাদের অনুগ্রহই করেন, আর যাদের ঘৃনা করেন তাদের ঘৃনাই করেন, এর কারণ কি? আমরা কিভাবে বলতে পারি ঈশ্বর আমাদের প্রতি অন্যায় করেছেন?

এই পৃথিবীতে অগণিত লোক বসবাস করছে। যদিও তাদের মধ্যে অনেককে ঈশ্বর প্রেম করেন, অন্যদেরকে করেন না। এর অর্থ কি এই যে, ঈশ্বর তাদের প্রতি অন্যায় করছেন? 

 ঈশ্বর ন্যায়বান ঈশ্বর, যারা তাঁর ধার্মিকতার বিরুদ্ধে ফিরে, তিনি তাদের পাপের বিচার করেন। তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাসের মাধ্যমে আমাদের এই ধার্মিকতা, ঈশ্বরের সংকল্প বুঝতে পারার মাধ্যমে এই বিষয়ে যে কোন না বুঝা বিষয়গুলো আমাদের পরিহার করা উচিত। বিপথে চালিত অনেক খ্রীষ্টিয়ানদের হৃদয় ফরৌণের মত কঠিন। এই ধরনের লোক যারা ঈশ্বরের দ্বারা ঘৃনিত, উদাহরণস্বরূপ এই অধ্যায়ের ১৭ পদ অনুসারেঃ “কেননা শাস্ত্র ফরৌণকে বলে, “আমি এই জন্যই তোমাকে উঠাইয়াছি, যেন তোমাতে আমার পরাক্রম দেখাই, আর যেন সমস্ত পৃথিবীতে আমার নাম কীৰ্ত্তিত হয়।” 

ঈশ্বরের সাক্ষাতে আমরা সকলেই অক্ষম। এই জন্য আমাদের ফরৌণের মত হওয়া উচিত নয়। যারা ফরৌণের মত একগুঁয়ে বা জেদী, যীশুর বাপ্তিস্মে এবং ক্রুশে রক্ত সেচন আমাদের পরিত্রাণস্বরূপ ইহা বিশ্বাস করে না, ঈশ্বর কি তাদের ঘৃনা করেন? হ্যাঁ। ফরৌণের মত লোকেরা ঈশ্বরের বিরুদ্ধে ফিরে। এই ধরনের লোকেরা দম্ভ করে এবং নিজস্ব ধার্মিকতার উপর নির্ভর করে, কিন্ত তাদের নিজস্ব ধার্মিকতা তাদেরকে পাপ থেকে উদ্ধার করতে পারে না।

ফরৌণ কিসের উপর নির্ভর করেছিলেন? তিনি নীল নদের উপর নির্ভর এবং বিশ্বাস করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন যে, যতদিন পর্যন্ত পর্যাপ্ত জলের যোগান থাকবে, ততদিন পর্যন্ত সবকিছুই ঠিক থাকবে। এই কারণে ঈশ্বর ফরৌণের মত লোকদের ঘৃনা করেন। ফরৌণের মত যাদের হৃদয় কঠিন, তারা ঘৃনিত হবে এবং ঈশ্বর হতে অভিশপ্ত হবে। আপনি অবশ্যই তার মত হবেন না। ঈশ্বর আপনাকে বিনামূল্যে যে প্রেম দান করেছেন, তা গ্রহণের মাধ্যমে আপনি তাঁর সন্তান হতে পারেন। 



ঈশ্বরের ধর্মময় সংকল্পে আপনি কি সানন্দে একমত?


আপনার জন্য নিরূপিত ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেম এবং সংকল্প গ্রহণ করতে আপনার হৃদয় কি প্রস্তুত? কিছু লোক আছে যদিও তারা যীশুতে বিশ্বাস করে, শারিরীক কষ্ট ভোগ করে, কারণ তারা ভালভাবে ঈশ্বরের সংকল্প বুঝতে পারে না। এই ধরনের লোকেরা আশ্চর্য্য জ্ঞান করে, “আমি যীশুতে বিশ্বাস করি, কিন্তু ঈশ্বর কি সত্যই আমাকে মনোনীত করেছেন? যদি তিনি আমাকে মনোনীত না করে থাকেন, আমার বিশ্বাস কিভাবে প্রচারিত হবে? তখন আমি কি করব? যীশুতে আমার বিশ্বাস থেমে থাকতে পারে না; আমি কি করতে পারি? আমি সত্যই যীশুতে বিশ্বাস করি, কিন্তু কি হবে যদি আমি তাঁর মনোনীত না হই?”

হতে পারে তখন তার এভাবে নিজেদের বিষয় ভাবতে পারে, “যেহেতু আমি যীশুতে বিশ্বাস করতাম এবং মন্ডলীর কাজে নিয়মিত যোগদান করতাম, ঈশ্বর অবশ্যই আমাকে মনোনীত করেছেন। অবশ্যই ইহা একটা বিষয়! স্বর্গে অবশ্যম্ভাবীভাবে আমার জন্য একটা স্থানহবে!” কিন্তু যখন তারা পাপে পতিত হয়, তারা আবারও আশ্চৰ্য্য জ্ঞান করে, “অবশ্যই ঈশ্বর আমাকে মনোনীত করেন নাই! হতে পারে যীশুতে বিশ্বাস করার জন্য এই সময়টা ছিল আমার জন্য উপযুক্ত!” অন্যকথায়, তারা নিজেদেরকে নিয়ে ভাবে, নিজেদেরকে একত্রিত করে, এবং নিজেদের দ্বারাই সব কিছু সমাপ্ত করে। এই প্রকার লোকদের সাধারণত ঈশ্বরের সংকল্প অনুধাবন করার জন্য পুনরায় চিন্তাভাবনা করার প্রয়োজন। তাদের সঠিকভাবে উপলব্দি করার প্রয়োজন যে, যীশুতে বিশ্বাসের মধ্যেই তাদের পরিত্রাণ।

ঈশ্বরের নিজ বাক্যের থেকেও যারা ধর্মতত্ত্ববিদদের শিক্ষায় আরো বেশী বিশ্বাস করে, অন্যকথায়, তারা বলে যে, “ঈশ্বর কি বলেন নাই যে, বয়স্করাই যুবকদের পরিচালক হবে, তিনি তিনি যদিও তাদের জন্মের পূর্বেই কি যাকোবকে প্রেম করতেন এবং এষৌকে ঘৃনা করতেন? অন্তত এখন আমরা যীশুতে বিশ্বাস করি, যদিও আমরা নিজ জন্মের পূর্বেই আমাদেরকে উদ্ধারের জন্য অবশ্যই উপযুক্ত হতে হবে।” কিন্তু প্রেরিত পৌল বলেন যে, ঈশ্বরকৃত পূর্বনিরূপকৃত সংকল্প হল “ঈশ্বরের নির্বাচননুরূপ সংকল্প যেন স্থির থাকে, কর্ম হেতু নয়, কিন্তু আহবানকারীর ইচ্ছা হেতু।”

ব্যবস্থা পালন করলেই কেউ ঈশ্বরের সন্তান হয় না। একমাত্র ঈশ্বরের ধার্মিকতা দ্বারা এই বিশ্বাস অর্জন করা যায় এবং যীশুর বাপ্তিস্ম এবং ক্রুশীয় রক্তের মধ্য দিয়ে যে ক্ষমা এবং প্রেম প্রকাশিত তার দ্বারা আমরা তাঁর সন্তান হতে পারি।

ধর্মতত্ত্ববিদদের মতবাদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে অনেক লোক তাদের পরিত্রাণস্বরূপ যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর রক্তে বিশ্বাস এবং ঈশ্বরের ধার্মিকতা প্রকাশ করতে অপারগ। যারা সুসমাচারের প্রেম জেনেছে, তাঁর ধার্মিকতা প্রকাশ করেছে, যদিও তারা ফরৌণের মত ইহা বিশ্বাস করে না। ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাস ব্যাতিত যারা যীশু খ্রীষ্টকে প্রকাশ করে, যারা নিজেদের চোখের জলে যীশু খ্রীষ্টে বিশ্বাস ছাড়া ঈশ্বরের সন্তান হওয়ার চেষ্টা করে, ঈশ্বর তাদেরকে ঘৃনা করেন।

যদি আপনি যীশু খ্রীষ্টের মধ্য দিয়ে ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেম প্রকাশে বিশ্বাস না করেন, এখনই আপনার এ জন্য তা করার উপযুক্ত সময়। তাহলে আপনি ঈশ্বরের প্রেমে আবৃত হতে পারবেন। আমরা প্রত্যেকেই বিশেষভাবে এষৌর মত ছিলাম, যদিও আমরা এখন ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে বিশ্বাসের মাধ্যমে আমাদের পাপ থেকে উদ্ধার পেয়েছি। ঈশ্বরের ধার্মিকতায় বিশ্বাসের মাধমে আমরা তাঁর প্রেমের আশীর্বাদ গ্রহণ করেছি।

ইস্রায়েল এবং পরজাতিদের জন্য ঈশ্বর ইহা সহজলভ্য করে দিয়েছে, তাদেরকে এই আশীর্বাদ দান করেছেন, যারা তাঁর ধার্মিক প্রেমে বিশ্বাস করে তাঁর সন্তান হয়ে ওঠে। এভাবে ঈশ্বর বলেন, “যাহারা আমার প্রজা নয়, তাহাদিগকে আমি নিজ প্রজা বলিব, এবং যে প্রিয়তমা ছিল না, তাহাকে প্রিয়তমা বলিব।” তিনি আমাদেরকে যীশুর বাপ্তিস্ম এবং তাঁর রক্ত এই সুসমাচার প্রদান করেছেন, এবং ঐ সমস্ত আমাদেরকে দিয়েছেন, যারা তাঁর ধার্মিক প্রেম বিশ্বাস করে। 

নিম্নের অনুচ্ছেদটি, “আর যে স্থানে তাহাদিগকে বলা গিয়াছিল, “তোমরা আমার প্রজা নও,” সেই স্থানে তাহাদিগকে বলা যাইবে “জীবন্ত ঈশ্বরের পুত্র।” ঈশ্বরের প্রেমের বাক্য যা, আজকে আমাদের জন্য পূর্ণতা দিয়েছে। একারণে আমরা অনুধাবন করতে পারি যে, ঈশ্বরের সাক্ষাতে আমরা অল্প সময়ের জন্য এসেছি, ঈশ্বর মাংসময় দেহে আমাদের মধ্যে এসেছেন এবং আমাদেরকে মুক্ত করেছেন এবং তাঁর ধার্মিকতার প্রেম প্রকাশ করলেন, যা আমাদের নিকট সহজলভ্য।

কাজেই আপনি এবং আমি ঈশ্বরের সাক্ষাতে আমাদের সমস্ত পাপ থেকে উদ্ধার পেয়েছি, ইহা ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞাত প্রেম, যা ঈশ্বরের ধার্মিকতার দ্বারা সংকল্প করেছিলেন। ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে বিশ্বাসের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সমস্ত পাপ থেকে পরিত্রাণ পেয়েছি, আমাদের হৃদয় কঠিন করা ছাড়াই কেবলমাত্র এই সত্যে বিশ্বাসের মাধমেই এটা সম্ভব হয়েছে। বিশ্বাসের এই পথ ছাড়া পাপের ক্ষমার আর অন্য কোন পথ নাই। আমরা প্রত্যেকেই একগুঁয়ে হৃদয় নিয়ে জন্মগ্রহণ করি, কিন্তু ঈশ্বরের বাক্য আমাদের হৃদয় এবং আমাদের একগুঁয়েমীতা জয় করতে পারে। তাহলেই আমাদের হৃদয় ঈশ্বরের শান্তিতে নিয়ন্ত্রিত হবে। আপনি যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, তবে ঈশ্বরের ধার্মিকতা আপনার হবে।

ঈশ্বরের ধার্মিকতা নিহি সত্যের যে সুসমাচার আমরা প্রচার করছি, তার অস্তিত্ব যদি না থাকত, তাহলে পৃথিবীর প্রত্যেকে (নারী/পুরুষ) নিজের নিজের ধংস ডেকে আনত। যারা জল ও আত্মার সুসমাচার প্রচার করছে, শুধুমাত্র তারা ছাড়া সব মানুষের প্রত্যাশা হারিয়ে যেত। মানুষ যদি ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে সজ্জিত না হত, তাহলে নিজ নিজ পাপের কারণে প্রত্যেকে বিচারিত হয়ে পৃথিবীর ধংস ডেকে আনত। কিন্তু আমরা যারা ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে বিশ্বাস করি, তিনি আমাদেরকে এই পৃথিবীতে রেখেছেন। আমাদের অসংখ্য দূর্বলতা সত্ত্বেও ঈশ্বর আমাদের মাধ্যমে তাঁর কাজ করেছেন, এই জন্য তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ না হয়ে আমাদের উপায় নাই।

 ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে যে বিশ্বাস সজ্জিত, যীশুর বাপ্তিস্মর এবং ক্রুশীয় রক্তের মাধ্যমেই সেই ধার্মিকতা লাভ করা যায়। যীশুর বাপ্তিস্ম এবং রক্তে যারা বিশ্বাস করে, তাদের হৃদয়ে ঈশ্বরের ধার্মিকতার বিশ্বাস পাওয়া যায় । তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাসের মাধ্যমেই আমরা আমাদের পাপ থেকে মুক্ত হয়েছি। এই সত্যটি হল আমাদের জন্য ঈশ্বরের সংকল্প পূর্ব নিরূপণ ও মনোনয়ন।

ঈশ্বর বলেন যে, যীশু খ্রীষ্টে সাধিত তাঁর ধার্মিকতায় নিহিত ঈশ্বরের বাক্যে যে বিশ্বাস করে, সে তার সমস্ত পাপ থেকে মুক্ত হয়। কারো ধ্বংস হওয়ার কারণ এই নয় যে, ঈশ্বরের ধার্মিকতা তাঁর পাপ মুছে নেয়নি; কিন্তু তার কারণ হল যে, সে তার হৃদয় কঠিন করে, এই সত্যে বিশ্বাস করে না।

 ঈশ্বরের বাক্যের কাছে আমাদের হৃদয়কে নম্র করতে হবে এবং জল ও আত্মার সুসমাচারে বিশ্বাস করতে হবে। আমাদের হৃদয়কে তাঁর সাক্ষাতে অবশ্যই নত করতে হবে। ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেমে বিশ্বাসের মাধ্যমে আমরা আশীর্বাদ পেয়েছি। আমাদের জন্য তাঁর অপরিসীম দয়ার কারণে তিনি আমাদেরকে আমাদের সমস্ত পাপ থেকে উদ্ধার উদ্ধার করেছেন। আমরা তাঁর ধন্যবাদ করি। ঈশ্বরের ধার্মিকতায় যারা বিশ্বাস করে তাদের লজ্জার কোন করণ নেই। বরং তাঁর ধার্মিকতার জন্য গর্বিত হওয়ার মত কারণ আমাদের রয়েছে।

 আমরা তাঁর সাক্ষাতে অধর্মাচারী হলেও ঈশ্বর আমাদের সমস্ত পাপ থেকে পূর্ণরূপে মুক্ত করেছেন, - এই পরিত্রাণের জন্য তাঁর প্রশংসা হোক। ঈশ্বরের প্রেম পেতে হলে আমাদের অবশ্যই তাঁর ধার্মিকতায় বিশ্বাস করতে হবে।

আপনি কি ঈশ্বরের এই ধার্মিকতা জানেন? যদি জানেন, তবে বিশ্বাস করুন। তাহলে আপনার হৃদয়ে ঈশ্বরের ধার্মিকতার প্রেম নেমে আসবে। আপনার জন্য ঈশ্বরের সংকল্পিত তাঁর ধার্মিকতার প্রেমের উপরে আপনার যে বিশ্বাস, আপনি সেই বিশ্বাসকে ভুল বুঝা থেকে মুক্ত হোন।

 ঈশ্বর আপনার জন্য পরিত্রাণের যে প্রেমের সংকল্প করেছেন, আপনার হৃদয়ে তা নেমে আসুক। হাল্লিলূয়া! তাঁর ধার্মিকতার মাধ্যমে যিনি যাদের তাঁর সন্তান করেছেন, আমি সেই ত্রিত্ব ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই।